আওয়ামী লীগের ২০ প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির এক!

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২০ জনও কাউন্সিলর হতে চান চকবাজার ওয়ার্ডে। এখানে কাউন্সিলর পদে বিএনপি সমর্থিত একজন প্রার্থী হলেও তিনি দলীয় মনোনয়ন বা দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়া-না নেয়ার বিষয়ে কোন ধরণের বিষয় প্রকাশ্যে না থাকলেও তিনিই বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে আলোচনা রয়েছে।

তবে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর মধ্যে ত্যাগী, যোগ্য নেতাদের পাশাপাশি বিতর্কিত কিশোর গ্যাং লিডারও নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। ফলে প্রশাসন সুষ্ঠু নির্বাচনের আশাবাদী হলেও আতঙ্ক রয়েছে বলে জানান স্থানীয় ভোটাররা। এর আগে চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টু ২৮ মার্চ মৃত্যুর কারণে ‘শূন্য’ ঘোষণা হওয়া চকবাজার ওয়ার্ডে ৭ অক্টোবর ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় ভোটার জাকির হোসেনসহ একাধিক ভোটার বলেন, বিগত নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ। দল ক্ষমতায় থাকায় ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার প্রচেষ্টা করছে অনেকেই। এতে মারামারি-হামলা সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, দলের অনেকেই এখন বঙ্গবন্ধু কিংবা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম বিক্রি করছেন। রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম বিক্রি করেও অনেকে পোস্টার করেছেন। দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে থেকে ত্যাগ, স্বচ্ছ ও যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করেছি। তবে এখানে যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচিত না হলে চকবাজার ওয়ার্ড আরও নষ্ট হয়ে যাবে। এতে ভোটাররা যোগ্য প্রার্থীদের যোগ্য ভোট প্রদান করবেন বলে আশা করছি।

ক্রীড়া সংগঠক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী আকবর হোসেন চৌধুরী মিন্টু বলেন, চকবাজার ওয়ার্ডে অনেকেই প্রার্থী হয়েছেন যাদেরকে ভোটাররাই চিনেন না। রাজনীতিতেও নেই কোনো অবদান। এখানে বিতর্কিত প্রার্থীও রয়েছেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চকবাজার ওয়ার্ডে নির্বাচন করতে ২১ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর আগে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ২৫ জন। নির্বাচনের দিন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছেন। তাছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়েও নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন