আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, ‘সুষ্ঠু ভোট নিয়ে জনমনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাকে সতর্ক করলেও তিনি কর্ণপাতই করছেন না। ব্যানার, ফেস্টুন এখনও অপসারণ করেননি বরং স্কুলের কোমলমতি শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠান করছেন।’

নৌকার প্রার্থীর উদ্দেশে রবি বলেন, ‘আশা করি তিনি আচরণবিধির ব্যাপারে সজাগ হবেন, সাবধানী হবেন।’ রবি বলেন, ‘সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা নেই। কারণ সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে কুলষিত করেছে। আমি ভোটারদের আহ্বান জানাচ্ছি, ভোট আপনার নাগরিক অধিকার, ভোট বিমুখ হবেন না। ভোট কেন্দ্রে আসুন।’

এর আগে ধানমন্ডি ও জিগাতলার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গণসংযোগ শুরু করে মধুবাজার, রায়ের বাজার, মনেশ্বর রোড, জিগাতলাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গণসংযোগ করেন রবিউল আলম।

রবি বলেন, ‘এই মুহূর্তে দেশের কোনো জনগণের সরকার নেই। জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী কোনো সংসদ নেই। এখন জাতীয় সংসদে ভোট ডাকাতদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। অথচ জনগণ ভোট দিতে চায়। তারা তাদের দ্বারা নির্বাচিত সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি দিয়ে তাদের ভাগ্য বদলাতে চায়।’

ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমি জনগণের কাছে যাচ্ছি। তারা এ সরকারের স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনায় ক্ষুব্ধ। তারা চায় বিএনপি দেশ চালাক। দেশের মানুষের সেবা দিক। আমি এ আসনের সাড়ে ৩ লাখ ভোটারের সেবা দিতেই ভোটে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলবো। রাজপথে তাদের পাশ থাকবো। ঘরে-বাইরে যেখানেই তাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পাব আমি সেখানেই থাকবো।’

প্রচারণাকালে তিনি ২২ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর জিন্নাত আলীর অফিসে গিয়ে তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তার সঙ্গে হাজারীবাগ থানা বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান মজুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন সৈকত, শ্রমিকদলের আবু কাওসার, যুবদল নেতা হাবীবুর রহমান ও ছাত্রদল হাজারীবাগ থানার সাধারণ সম্পাদক সুমনসহ বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীরা।

 

 

আরও পড়ুন