ইভেন্টটি সম্প্রচার কাজে সহায়তা করেছিলেন বাংলাদেশী বংশভূত

বাংলাদেশী বংশভূত ইঞ্জিনিয়ার তপন মাহমুদ জনি রিও অলিম্পিক গেমস ২০১৬ তে মডার্ন পেন্টাথলন এবং
রাগবি ৭ ইভেন্টটি সম্প্রচার কাজে সহায়তা করেছিলেন।

তিনি বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রচারকর্মী ছিলেন। এই সম্প্রচারকর্মী দলে তার
সাথে ছিলেন, কানাডা দেশ থেকে মিঃ পিটার, রাশিয়া দেশ থেকে মিঃ গ্লেব , এবং জার্মানি থেকে ভিয়েসমান।
রিও অলিম্পিক গেমস ২০১৬ টেকনিক্যাল অপারেশন সেন্টার কন্ট্রোল রুমে তিনি একমাত্র ইঞ্জিনিয়ার
হিসাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন । তাদের মূল দায়িত্ব ছিল এই ইভেন্টি যাতে ১ বিলিয়ন মানুষের
কাছে সম্প্রচার নিশ্চিত করা এবং পর্যবেক্ষণ করা ।

মিঃ তপন মাহমুদ জনির কাছে তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি উল্লেখ করেন যে এটি তার
জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতি। বিদেশে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব অনেক গর্বের অনুভূতিবিশ্বের
সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ইভেন্টের সম্প্রচার করা হয়েছিল । টেকনিক্যাল অপারেশন
সেন্টার কন্ট্রোল রুম থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন দেশের কয়েক শতাধিক সাংবাদিক এবং মিডিয়া
কর্মী উপস্থিত হয়েছিল।

সারা বিশ্বে সম্প্রচার ব্যবস্থার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য শহরে আইবিসি (আন্তর্জাতিক সম্প্রচার
কেন্দ্র) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।শত শত প্রকৌশলী এই ইভেন্টি সফল করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছিলেন
। রিও অলিম্পিক গেমস চলাকালীন সময়ে আমরা সবাই ছিলাম একটি পরিবারের মত। ৩০ দিনের স্মরণীয়
কর্মপরিকল্পনার শেষে আমরা আমাদের লাগেজগুলি প্যাক করি এবং তারপর দেশের পথে যাত্রা শুরু করি
।পরবর্তী চার বছর জন্য অপেক্ষা করতে হবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পুরানো এবং নতুন বন্ধু এবং
সহকর্মীদের সাথে দেখা করার জন্য।

মিঃ তপন মাহমুদ জনি সাক্ষাত্কার শেষে আমাদের একটি সুসংবাদ দিলেন। জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত
হওয়া জাপান গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে তাদের সাথে কাজ করার জন্য তাকে অলিম্পিক সম্প্রচার কমিটি
বেছে নিয়েছে। তিনি মুসাশিনো ফরেস্ট স্পোর্টস প্লাজায় খেলা সম্প্রচারে সহায়তা করবেন।এটি অনেক
গর্বের মুহূর্ত, যখন আমরা আবারও টোকিও অলিম্পিক ২০২০-তে অলিম্পিক সম্প্রচার সংস্থায়
বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে মিঃ তপন মাহমুদ জনি কে দেখবো । তখন তার কাধে থাকবে লাল সবুজের
পতাকা।

আরও পড়ুন