কষ্ট নিয়ে, লজ্জা নিয়ে বরগুনা এসেছি: ডিআইজি আক্তারুজ্জামান

‘আজ আমি যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে তার জন্য কষ্ট এবং লজ্জা নিয়ে বরগুনায় এসেছি।’ বরিশাল বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান বরগুনা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

এসময় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা নাদিরা, সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন, জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, পৌর মেয়র আ্যাড কামরুল আহসানসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম আলীর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ এবং সংসদ সদস্য শম্ভুর সাথে ঔদ্ধত্য পূর্ণ আচরণের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বরগুনার আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়ে বরগুনা শহর।

 

এই ঘটনা তদন্তে বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ জিয়াউল হক পিপিএমকে প্রধান করে ১৫ আগস্ট ৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের অন্য দু’সদস্য হচ্ছেন মোঃ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার ডিআইজি অফিস ও সুদীপ্ত সরকার পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাকেরগঞ্জ (সার্কেল)।

ডিআইজি আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আমি এখানে এসে মাননীয় সংসদ সদস্য এবং আহতদের দুঃখ শুনেছি। তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি, তিন কার্য দিবসের মধ্য তাদেরকে প্রতিবেদন জমা দেবার জন্য বলা হয়েছে। মহররম আলীকে চট্রগ্রাম রেইঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া ইতোমধ্যে আরও ৫ জনকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

ডিআইজি আরও বলেন,‘আমার কাছে মনে হয়েছে, সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন একজন ব্যক্তিও যা ঘটেছে তা সমর্থন করবেন না।’

সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘আমরা ডিআইজি সাহেবের উপর আস্থা রাখছি। তিনি যেহেতু কথা দিয়েছেন, যথাযথ ব্যাবস্হা নেয়ার আমরা তার ভূমিকায় খুশি এবং দ্রুত তিনি ব্যাবস্থা নেবেন বলে আশা করছি।’ এর আগে তিনি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আহত ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে এবং জেলা আওয়ামীলিগ নেতৃবৃন্দের সাথে এ বিষয় কথা বলেন।

আরও পড়ুন