কুয়াকাটার আকাশে উড়বে প্যারাসুট

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় এবার পাখির মতো আকাশে উড়ে পর্যটকরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। ওপর থেকেই দেখতে পারবেন সমুদ্র সৈকত, উত্তাল ঢেউ। সেই সাথে দেখা যাবে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্যও। পাশাপাশি থাকছে নোনা জলে পা ভেজানোর সুযোগ।

পর্যটকদের বিনোদনে যুক্ত হচ্ছে প্যারাসুট প্যারাসেইলিং বা ‘মানব ঘুড়ি’। পরীক্ষামূলকভাবে এরইমধ্যে এ প্যারাসুট আকাশে ওড়ানো হয়েছে। এখন কেবল প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষা। আর এই প্যারাসেইলিংয়ের উদ্যোক্তা সী-বিচ ট্যুরিজম।

পর্যটক ওমর ফারুক জানান, প্যারাসুটটি স্পিড বোটের সাহায্যে প্যারাসেলিং করছে। তার ইচ্ছা ছিল এটিতে উড়বেন। কিন্তু এটি নাকি পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো হয়েছে। তাই আর উঠতে পারেনি তিনি। অপর এক পর্যটক তানভির আহম্মেদ জানান, এটি পর্যটকদের বিনোদনে যুক্ত করবে নতুন এক মাত্রা।

 

সী-বিচ ট্যুরিজমের পরিচালক মো.লিটন খান জানান, এ প্যারাসুট ওড়াতে একটি স্পিড বোট কিনেছি। নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হবে একটি ওয়াটার বাইক। এছাড়া দক্ষ চালক নিয়োগসহ সার্বিক ব্যবস্থা ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে। তবে অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসকের কছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে কুয়াকাটা সৈকতে প্যারাসেলিং করানো হবে বলে তিনি জানান।

কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট কুটুম’র সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর মূলত কুয়াকাটায় ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটছে। বিদেশের প্রতিটি সী-বিচে প্যারাসেইলিং অ্যাডভেঞ্চার রয়েছে। এটি খুবই জনপ্রিয়। তাই কুয়াকাটাকে অর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র করতে হলে প্যারাসুটের এই ঘুড়ি পর্যটন শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল খালেক সাংবাদিকদের জানান, প্যারাসুট মূলত পর্যটক আকর্ষণের অন্যতম একটি কেন্দ্রবিন্দু। এটা মূলত কিভাবে উড়ানো যাবে বা এটি বীচ বান্ধব কিনা কিংবা এটা বীচে উড়ানো সম্ভব কিনা, এসব বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

আরও পড়ুন