কোন খুনির কবর পবিত্র সংসদ ভবনের জায়গায় থাকতে পারে না

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, সংসদ ভবন একটি পবিত্র জায়গা। এই জায়গায় কোন খুনির কবর থাকতে পারে না। জিয়াউর রহমান জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন। পরবর্তী কর্মকান্ডের জন্য তিনি খুনি জিয়া হিসেবে পরিচিত। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংসদ ভবন থেকে জিয়ার কবর অপসারণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এই বিচার বিভাগ তার স্বেচ্ছাচারিতা, তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে যা কিছু করতে পারে। সমস্ত স্বেচ্ছাচার-স্বৈরাচারের পতন হয়েছে, ইতিহাস পড়েন নাই? যারা বিচারপতি হয়েছেন তারা কি অন্য গ্রহ থেকে এসেছেন? গানে বলা আছে, বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে এই জনতা।

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরে মুক্তিযুদ্ধ শহীদ জাদুঘর পরিদর্শন ও মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, দেশে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় ভুয়া কাউকে ঢোকানোর আর কোনও সুযোগ নেই। চলতি এ বছরের আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়পত্র ও স্থায়ী সনদপত্র দেওয়া হবে। এছাড়া আগামীতে সব মুক্তিযোদ্ধার নামে রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্টের নামকরণ করা হবে।

তিনি আরোও বলেন, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী নামে যারা মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদ নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার, কাস্টমসসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরি করছে, তাদের পক্ষে কতিপয় বিচারপতি রায় দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কলঙ্কিত করেছেন। এটা খুবই দুঃখজনক। এটা বিচারের নামে দুর্বৃত্তায়ন করা হয়েছে। মনে রাখবেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছেন বলেই আপনি বিচারপতি হয়েছেন। ভুলে যাবেন না, আপনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আমরা যুদ্ধ করিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রদ্রুত ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল আলম শহীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন