গাইবান্ধায় বন্যায় মৎস্য খামারের ক্ষতি ২৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

বন্যার পানি কমে গেলেও গাইবান্ধা জেলায় মৎস্য চাষী এবং মৎস্য খামারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রেখে গেছে। এতে মৎস্য খামার এবং মাছ চাষের পুকুরগুলো মাছ ও পোনা শূন্য হওয়াতে মাছের উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

এতে মাছের সংকট সৃষ্টি হবে এবং মূল্য বৃদ্ধি পাবে বলে জানা গেছে। এছাড়া ৫ হাজার মৎস্য চাষী পুজি হারিয়ে চরম ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। সে কারণে বন্যা পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় এ জেলার মৎস্য চাষীদের সরকারি সহায়তা প্রদান করা না হলে এই ক্ষয়ক্ষতি নিরসন করে মৎস্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে না।

মৎস্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় ৭টি উপজেলার ৭ হাজার ৫০টি পুকুর ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৬ হাজার ২৯০টি পুকুর এবং ৭৬০টি মৎস্য খামার রয়েছে। এসব খামার এবং পুকুরের সকল মাছ বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ায় সেগুলো মৎস্য শূন্য হয়ে পড়েছে। নতুন করে মাছের পোনা না ছাড়া পর্যন্ত এসব খামার ও পুকুর থেকে কোন মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তদুপরি মাছের পোনা না থাকায় মৎস্য চাষীরা নতুন করে মাছ চাষও করতে পারছেন না।

এদিকে মৎস্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, বন্যায় মৎস্য খামারের ২ হাজার ৬০ মে. টন মাছ এবং ১ কোটি ১১ লাখ মাছের পোনা বন্যায় ভেসে গেছে। তদুপরি অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ হচ্ছে ২ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এ নিয়ে মৎস্য খাতে সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি টাকা ৭৯ লাখ টাকা। এব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুদ দাইয়ান জানান, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় জেলায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্য সংকট নিরসনে মৎস্য চাষীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

You might also like