তাজরীন ফ্যাশনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাত বছর

তাজরীন ফ্যাশনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাত বছর আজ। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১১১ পোশাক শ্রমিক নিহত ও ১০৪ জন আহত হন।

নিহতদের স্মরণে আহত শ্রমিক ও নিহতদের স্বজনরা মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আবিসি), সাভার-আশুলিয়া কমিটির উদ্যোগে তাজরীন ফ্যাশনসের পরিত্যক্ত কারখানার সামনে এই মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। এ সময় মোমবাতি হাতে ‘তাজরীন, টাম্পাকো, রানা—আর না, আর না’ এই স্লোগান তুলে নিহতদের স্মরণ করা হয়। এছাড়া শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রোববার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও নিহতদের স্বজনরা কারখানার সামনে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে আহত শ্রমিকেরাও এতে অংশ নেন।

রোববার সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পুড়ে যাওয়া তাজরীন ফ্যাশনের সামনে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ শ্রমিকরা। পরে কারখানাটির সামনে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা।

শ্রদ্ধা শেষে শ্রমিক নেতারা তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডে সব ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিককে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ ও মালিক দেলোয়ার হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। এ সময় তারা কারখানা মালিকের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানও দিতে থাকেন।

২০১৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। এরপর থেকে এই পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মোট ৩৫টি তারিখ ধার্য করা হয়। এই ৩৫ দিনের মধ্যে মাত্র ৬দিন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য হাজির করেছে।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৭ মার্চ সাভার থানার এসআই আবিদ হোসেনকে হাজির করে রাষ্ট্রপক্ষ। তিনি অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের মরদেহের সুরতহাল তৈরি করেছিলেন।

আরও পড়ুন