তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, বলেছিল মিষ্টি খাওয়াবে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে তৃতীয় শ্রেনীর এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে তিন সন্তানের জনক মাদরাসার দপ্তরি। পরে গ্রামবাসী ঐ দপ্তরিকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার থালতা মাজগ্রামে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ধর্ষকের নাম আলমগীর হোসেন বাবলু (৪৫)। সে মাজগ্রাম এমএ সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার দপ্তরি বলে জানা গেছে।

 

 

এর আগে গত জুলাই মাসে এক হিন্দু প্রতিবন্ধী কিশোরীর শ্লীলতা হানীর ঘটনা ঘটায় লম্পট বাবলু। কিন্তু ঐ গ্রামে হিন্দু পরিবার মাত্র দুইটি হওয়ায় দপ্তরীর প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন হুমকী ধামকীর মাধ্যমে ঘটনাটি চাপা পরে।

অবশেষে আজ শনিবার দুপুরে ওই মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ক্লাশ শেষে বাবলুর বাড়ির পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় বাবলু তার নাতির জন্ম হওয়ার খবর জানিয়ে শিশুটিকে বাড়ি ডেকে নিয়ে গিয়ে মিষ্টি খেতে দেয়। বাবলুর স্ত্রী ও ছেলের বউসহ সবাই হাসপাতালে থাকায় বাড়ি ফাকা ছিল। এই সুযোগে বাবলু শিশুটিকে ধর্ষণ করে বাড়িতেই আটকে রাখে। দুপুরের পর শিশুটির চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন বাড়ি থেতে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে ধর্ষণের ঘটনা শুনে বাবলুকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে বাবলুকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

নন্দীগ্রামের কুমিড়া পণ্ডিতপুকুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আজিজুর রহমান বলেন, লম্পট বাবলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন