নির্বাচিত হয়ে প্রথম প্রতিশ্রুতি পূরণ মেয়র আতিকের

গেল ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পুরো রাজধানী জুড়েই ছিল পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ও ব্যানারের আধিক্য। রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় পোস্টারে প্রার্থীদের প্রচারণাও ছিল নজরে আসার মতো। এমন নির্বাচনী প্রচারণা নাগরিকদের মাঝে অনেকটা সমালোচনার বিষয় হয়ে উঠে। তাই নাগরিকদের এমন সমালোচনার কথা মাথায় রেখে সিটি নির্বাচনের পূর্বেই উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র আতিকুল ইসলাম নির্বাচনের পর সকল পোস্টার সরিয়ে ফেলার প্রতিশ্রুতি দেন। ইতিমধ্যে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও করেছেন তিনি।

নির্বাচনের পরপরই নেওয়া হয় পোস্টার, ব্যানার উচ্ছেদ ও অপসারণের পদক্ষেপ। আর তাই সড়কে এখন আর পোস্টার-ব্যানার-ফেস্টুন তেমন চোখে পড়ে না। বলা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি এলাকা এখন অনেকটাই পোস্টারমুক্ত।

পোস্টার-ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের বিষয়ে উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরণের পোস্টার লাগানো আমি মন থেকে পছন্দ করিও না, লাগাতেও চাই না। দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মের যারা আছেন তারাও এসব পছন্দ করে না। তারা ডিজিটালাইজড মাধ্যমগুলো পছন্দ করে। পোস্টার শহরকে অপরিচ্ছন্ন করে। পোস্টার লাগানোর বিষয়টি প্রথম থেকেই আমার খারাপ লাগছিল। তাই আমি আমার নির্বাচনী টিমে যারা আছে তাদের আমি বলেছি এই পোস্টার একেবারেই উঠে যাবে। এজন্য আমরা যত জায়গায় পোস্টার লাগিয়েছি তা আমাদের নিজস্ব টিম, বিডি ক্লিন এবং বিদ্যানন্দ ফাউণ্ডেশনের সহযোগিতায় আমরা পোস্টার অপসারণের কাজটি করতে পেরছি।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন পূর্ববর্তী ও নির্বাচন শেষে ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে পোস্টার ও ব্যানার অপসারণের কাউন্সিলরদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এতে করে কাউন্সিলররাও আতিকুল ইসলামের পক্ষে পোস্টার অপসারণের উদ্দেশ্যে মাঠে নামে। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা বিডি ক্লিন ও বিদ্যানন্দ ফাউণ্ডেশনও তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা পোস্টার অপসারণের কাজে সহযোগিতা করায় কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। আবার উত্তর সিটি কর্পোরেশনও অতিরিক্ত জনবল মাঠে নামায়। এতে স্বল্প সময়ের মধ্যে উত্তর সিটি পোস্টার মুক্ত হয়।

এদিকে, স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বুধবার গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে হবে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

তবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিলেও মেয়রের আসনে বসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত।

 

আরও পড়ুন