প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ একটি রোল মডেল

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহাদৎ হোসেন বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ একটি রোল মডেল। ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহের আওতায় আসবে প্রতিটি মানুষ । প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর কোন পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে না।

শুক্রবার সকালে তিনি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বহুমুখি আশ্রয় কেন্দ্র ও দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ পরিদর্শন কালে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া নতুন পরিকল্পনায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের দেশের এ পরিকল্পনা আর্ন্তজাতিকভাবে বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে।

শুক্রবার সকালে তিনি মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী সেলিমাবাদ ডিগ্রী কলেজে বহুমুখি আশ্রয়ন কেন্দ্র , বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শ্রেণীখালী গ্রামে প্রধানমন্ত্রী দেয়া টিআর, কাবিখা কর্মসূচির আওতায় নির্মাণাধীন বাসগৃহ পরির্দশন করেন। একই সাথে তিনি বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত ও আহত মো. তোফচ্ছের আলী খানের বিধস্ত বসতবাড়ি ঘুরে দেখেন এবং তার খোঁজ খবর নেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন বাগেরহাট জেলা এডিএম মো. শাহিনুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন অফিসার আবুল আসাদ মিয়া, বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান আলী খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. নাসির উদ্দিন, ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী শুভংকর মন্ডল, উপ সহকারী কৃষি অফিসার মো.মিজানুর রহমান।

উল্লেখ্য, এ উপজেলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে বহুমূখি ৩টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মণাধীন। যার প্রতিটির নির্মাণ ব্যায় ধরা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী’র দেয়া ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর, বিশেষ কর্মসূচির আওতায় গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ২৫টি বাসগৃহ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। দুর্যোগ সহনীয় এ বাসগৃহের প্রতিটি ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫শ’ ৩১ টাকা করে।

আরও পড়ুন