বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত

আজ বৃহস্পতিবার  (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায়  ৩২নং ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে সকালে ধানমন্ডিতে একটি র‌্যালী করে জোটের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমালা অর্পণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলমগীর কুমকুম এর বনানী কবরস্থানে পুস্পমালা অর্পণ করা হয়।

এরপর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং কেক কেটে ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। এসকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি খ্যাতিমান অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী, সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, সহ সভাপতি চিত্রনায়িকা নূতন, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, চিত্রনায়িকা অরুনা বিশ্বাস, অভিনেত্রী তানভিন সুইটি, মোত্তাছিম বিল্লাহ, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলমগীর কুমকুমের ছেলে রনি কুমকুম, কন্ঠশিল্পী এস.ডি রুবেল, আইরিন পারভীন, নাট্যশিল্পী মাজলুম মিজান, কবি রবীন্দ্র গোপ, অভিনেতা হাবিবুল্লাহ রিপন, অধ্যক্ষ আহসান সিদ্দিকী, নুর হোসেন লিটন, ক্লোজওয়ান কন্ঠশিল্পী রুবী শারাফী-সহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, জিয়া ও এরশাদের আদর্শের সৈনিকেরা যাদের সাথে হাওয়া ভবনের সুসম্পর্ক ছিল তারা এখন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তারা এখন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটকে হাইজ্যাক করে নিয়েছে। কারন তারা তাদের অপকর্মকে ঢাকার জন্য এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ইতিহাস এবং আদর্শকে ধ্বংস করার জন্য একের পর এক গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট একটিমাত্র সংগঠন যা আমার নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। অনেকেই অনেক সময় আমাদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু তারা সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন না। আজ তারা আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করার জন্য বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নাম ব্যবহার করে যাচ্ছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সংস্কৃতিসেবীদের জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। আজ অনেকেই সংগঠনের সভাপতির পরিচয় দিচ্ছেন। আমরা তাদের বহু আগেই এই সংগঠন থেকে বহিস্কার করেছি। কারণ তাদের চাহিদা অনেক ছিল। এমপি হয়েছে, মন্ত্রী হয়েছে তারপরে তারা এই সংগঠনের কথা ভুলে গিয়েছিল। এই সংগঠনটির নাম ব্যবহার করছে মন্ত্রী, এমপি হওয়ার জন্য।

আরও পড়ুন