বাহরাইন-আমিরাতের সঙ্গে চুক্তির পর গাজায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের মজলুম জাতি তথা গোটা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তি সই করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এদিকে, গাজা উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, আমিরাত ও বাহরাইনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে গাজা উপত্যকা থেকে বুধবার সকালে রকেট হামলা চালানো হয়েছিল। রকেট হামলার জবাব দিতেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান থেকে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। গাজার ডেইর আল-বালাহ এলাকাকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়। তবে কোনো হতাহতের খবর জানা যায়নি।

অন্যদিকে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর দাবি, বুধবার সকালে ১৫টি রকেট হামলা চালানো হয় গাজা উপত্যকা থেকে। এতে ইসরায়েলের দু’জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এদিকে হামাস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আমাদের জনগণের ওপর যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের মূল্য দিতে হবে। আমাদের ওপর যে কোনো ধরনের হামলার সরাসরি জবাব দেওয়া হবে।

বুধবার ইসরায়েল সেনাবাহিনীর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, হামাসের অবস্থান লক্ষ করে ১০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। মূলত রকেট হামলার জবাব দিতেই এই হামলা।

এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরায়েলের ঐতিহাসিক চুক্তির দিনটিকে ‘‌‌‌‌‌মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ভোর’ বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই উপসাগরীয় দেশ ও ইসরায়েল নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ট্রাম্প। আরব আমিরাত, ইসরায়েল ও বাহরাইন তিন দেশের মত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার পর বাহরাইন ও আরব আমিরাত তৃতীয় ও চতুর্থ উপসাগরীয় দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।

 

আরও পড়ুন