বিপিএল পরিচালনার আইন মানা হচ্ছে কি

বি তে বিপিএল আর বি তে বিতর্ক। এই বিপিএল আর বিতর্ক যেন জমজ ভাই। বিপিএল সপ্তম আসর শুরু হতে এখনও বেশ কিছু দিন বাকি। কিন্তু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সপ্তম আসরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে ক্রিকেট পাড়ায়।

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাথে ফ্র‍্যাঞ্চাইজি দল গুলোর নতুন চুক্তি এখনও বাকি। তবে দল গুলো আগে ভাগেই পাকা চুক্তি করে ঘরে তুলছে সব নামি দামি ক্রিকেটারদের।

এদিকে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল জানাচ্ছে এখনও কারো ঘরই ঠিক হয়নি। ইতোমধ্যে বিপিএলের ৬টি আসর শেষ হয়েছে কিন্তু এখনও শেষ হয়নি বিসিবি বনাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজির বোঝাপড়া।

এ ব্যাপারে ক্রিকেট বিশ্লেষক মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ বলেন, ‘যে দলগুলো এখন প্লেয়ার লেনদেন আদান প্রদান করছে। তারা কিন্তু এক প্রকার মালিকানা ছাড়াই আদান প্রদান করছে। এটা কতটুকু আইনগত সিদ্ধ? আমরা সবাই বুঝছতেছি এটা ঠিক না। এটার দায় আমি ধরে নিতে পারি বিসিবি ও গভর্নিং বডির উপরেই পড়বে। সাকিবের ট্রান্সফার আবার ভিতরে ভিতরে শুনছি মুশফিক-তামিম চেইঞ্জ হচ্ছে। চেইঞ্জ হওয়ার পর যদি বিসিবি পরামর্শ দেয় তাহলে ওনারা অনেক লেট।’

দুনিয়ার প্রায় সব গুলো ক্রিকেট শক্তির দেশগুলোতে আছে ফ্র‍্যাঞ্চাইজি লিগ। মাঠের বাইরের ঝামেলার কথা সেখানে শোনা যায় না যতটা শোনা যায় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)। তাহলে কি দেশের প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের ম্যানেজ করতে হিমশিম খাচ্ছে বিসিবি?

ইমরোজ আহমেদ আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রিকেট বোর্ড যতটুক শক্তিশালি। যে কোন ফ্র‍্যাঞ্চাইজিকে যদি পারসোনালি ফেবার না করে তাহলে তাদের পক্ষ থেকে এটা কন্ট্রোল করা খুব একটা ডিফিকাল্ট কাজ হবে না বলে আমি মনে করি।’

বিজনেস মডেল হিসেবে দুনিয়া জুরে চলছে ফ্র‍্যাঞ্চাইজি লিগ। ব্যবসায়ী ঝুঁকি এড়াতে প্রত্যেকটি দলের জন্য চাই লিগেল উইং। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিপিএলের সপ্তম আসর শুরু হওয়ার কথা। তাই হাতেও সময় কম। যার জন্য ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন বিসিবি ও দলগুলোর জন্য দ্রুত টেকসই একটি নবায়ন চুক্তি জরুরি।

You might also like