মারধর থেকে বাঁচতে

আজিমপুরের এক বাড়িতে গ্রিল কেটে সোনার গহনাসহ নানা দামি জিনিস চুরি হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একটি স্টিল কারখানার শ্রমিক মুরাদকে আটক করে। মুরাদকে আজিমপুর পুলিশ ফাঁড়িতে নেয়ার পর সে হ্যান্ডকাফ নিয়েই পালিয়ে যায়। মুরাদের দাবি, তাকে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে মারধর করছিল পুলিশ।

ফাঁড়ি থেকে পালিয়ে মুরাদ লালবাগ থানায় আত্নসমর্পণ করে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর)। আত্নসমর্পণের সময় সে আজিমপুর ফাঁড়ির কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলে। অনুসন্ধান করতে গিয়ে মুরাদের নামে আগের কোন মামলা আছে কিনা জানতে চাইলে আজিমপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ এ বিষয়ে কোন তথ্য নেই উল্লেখের পাশাপাশি তাকে মারধরের কথা অস্বীকার করেন।

মুরাদের মা শেফালি বেগম বলেন, ‘পোলাডা ঘরে ঘুমাইছিল। পুলিশ কথা আছে বইলা হাতে হ্যান্ডকাফ পড়াইয়া নিয়া গেল। রাতে কী মাইরটাই মারছে। পিটাইয়া হাত-পা ফুলাইয়া ফালাইছে। মুরাদের বাবা মোহাম্মদ শিকদার পেশায় রিকশাচালক। তিনি বলেন, পোলাডা জান বাঁচাইতে ফাঁড়ি থেকে পলাইয়া থানায় আত্মসমর্পণ করে। মুরাদের বাবা-মায়ের দাবি তার ছেলে চোর নয়, স্টিলের কারখানায় চাকরি করেন।

আরও পড়ুন