মৌলভীবাজারে দীঘলগজি গ্রামের সরকারী জমি দখল করে দেওয়াল নির্মান করায় গ্রামবাসী অবরুদ্ধ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দীঘলগজি গ্রামে সরকারী জমিসহ ব্যক্তি মালিকানা জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহলের এম.এ.রকিব নামের ব্যক্তির উপর। তিনি মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি।

এব্যাপারে মৌলভীবাজার মডেল থানায় দীঘলগজি গ্রামের আব্দুর রহমান বাদী হয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন। এই প্রভাবশালী ব্যক্তির সরকারী জায়গা দখল ছাড়াও নামে বেনামে রয়েছে শত শত বিঘা জমি। অধিকাংশ জমিগুলো পাহাড়ী অঞ্চলে রয়েছে সেখানকার বসবাসরত নিরীহ মানুষের কাছ থেকে অল্প দামে অর্ধেক ক্রয় করে বাকি অর্ধেক জোরপূর্বক ভাবে জবর দখলের ও অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

উক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারী জমি দখল করে দেওয়াল নির্মান করায় পশ্চিম দীঘলগজি সমবায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার দীঘলগজি জামে মসজিদের যাতাযাতের রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার সংযোগ সড়কের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এলাকার শতাধিক পরিবারসহ, মসজিদের মুসল্লি,প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরা।

অভিযোগে জানা যায়,আব্দুর রহমান গংদের ১৩ একর ২৫ শতাংশ জমির মধ্যে এম.এ রকিব দলিল মূলে ক্রয় করেন ৭একর ৬৫ শতাংশ। উক্ত ব্যক্তি ক্রয়কৃত জমি ছাড়াও আরো ২একর ৩৩শতাংশ জমি জোরপূর্বক ভাবে দখল করে নেন। ক্রয়কৃত জমির পার্শ্ববর্তী জমি জেলা প্রশাসক নামীয় ৯৭২ নং দাগের জায়গা নিজ দখলে নিয়ে কাটা তারের বেড়াসহ পাকা দেওয়াল নির্মান করেন।

এলাকাবাসি প্রশাসনের নিকট বার বার অভিযোগ করেও কোন সুরাহ পায় নি। স্থানীয় চেয়ারম্যান এলাকার গনমান্য ব্যক্তিবর্গ সালিশে বসে ও কোন সমাধান করতে পারেন নি। সরকারী জমির উপর দিয়ে মসজিদের মুসল্লি,স্কুলের ছাত্র,এলাকার জনসাধারন শতাধিক বছর ধরে চলাফেরা করে আসা রাস্তাটি পাকা দেওয়াল নির্মান করায়। ঘুড়পথে জঙ্গল পাড়ি দিয়ে আসছেন মসজিদে,স্কুলে।

এলাকার আব্দুল করিম জানান,পশ্চিম দীঘলগজি গ্রামে প্রায় এগারো শতাধিক মানুষের বসবাস। ২০০৪ সালে পশ্চিম দীঘলগজি সমবায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।এই বিদ্যালয়ে পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রী প্রায় সাত শতাধিক রয়েছে। বর্ষিজোড়াসহ পাশ্ববর্তী এলাকার চলাচলের একমাত্র রাস্তা ছিলো এইটি। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ অবরুদ্ধ আছে।

এই ব্যক্তি ভূমি লোভি এই ব্যক্তি আমাকে কোন কিছু না বলে আমার বসত ঘর ভিটার অর্ধেক ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করে। আমাকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করে। আমি এব্যাপারে শফি মামলা দায়ের করি আদালতে, বসত ঘর ভিটা ফিরিয়ে আনতে। মানবিক কারণে সরকারী জায়গা অবমুক্ত করা প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর দাবি।

আরও পড়ুন