মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে। আজ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী একথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সভাপতি ডা. মো. মনজুর কাদির, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. এস এম নজরুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন সরদার, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. মো. ইমরান  হোসেন খান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গতিকে করোনার মধ্যেও আমরা এগিয়ে নিয়ে গেছি। করোনাকালে মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুম চালু করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদিত সামগ্রী যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। উৎপাদন ও বিপণন সমস্যা, রাস্তায় পরিবহন সমস্যা, বিদেশ থেকে আমদানীকৃত মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য কাস্টমস থেকে ছাড়িয়ে নেয়া সমস্যা মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় চব্বিশ ঘন্টাই মনিটর করে সমাধান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করে প্রায় ৫ হাজার ৭শ কোটি টাকার দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিপণন করা হয়েছে। এতে করে যারা উৎপাদক তারা লাভবান হয়েছেন, বিপণনকারী লাভবান হয়েছেন এবং এর উপকারভোগীরা লাভবান হয়েছেন।

রেজাউল করিম ভেটেরিনারি কাউন্সিলের জনবল সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ  নেয়ার আশ্বাস দেন। তিনি  চলমান দাপ্তরিক কাজ কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়াসহ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের জন্য বিধি প্রণয়নের ব্যাপারেও সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন।

 

আরও পড়ুন