যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যেই মজবুত রাশিয়ার অস্ত্রাগার, দাবি গবেষণার!

যদি পশ্চিমারা রপ্তানিতে লাগাম টানে, তবে রাশিয়ার সেনারা উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবে না। এমন দাবিই করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা থিংক ট্যাঙ্ক ‘দ্য রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিস ইন্সটিটিউট (রুসি)।

সংস্থাটির দাবি, রাশিয়ার আধুনি সামরিক সরঞ্জাম ব্যবস্থার প্রায় পুরোটাই পশ্চিমাদের তৈরি মাইক্রোইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের ওপর নির্ভরশীল।

আর নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটিয়ে ভিন্ন উপায়ে এখনও এসব সরঞ্জাম যাচ্ছে মস্কোর হাতে। যদি এই ফাঁকফোকরটা বন্ধ করে দেওয়া যায়, তবে রাশিয়ার সেনাবাহিনী স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়বে এমন দাবি রুসির।

 

রুসির গবেষকরা দাবি করেছেন, ইউক্রেনে কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার সেনাদের ফেলে যাওয়া কিংবা আটক করা আধুনিক সামরিক ব্যবস্থার ২৭ টি উপকরণ পরীক্ষা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

তারা দেখেছেন এতে অন্তত ৪৫০টি বিভিন্ন ধরনে স্বতন্ত্র (ইউনিক), বিদেশে নির্মিত উপকরণ রয়েছে। যার অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশে তৈরি।

রুসির জ্যেষ্ঠ গবেষক জ্যাক ওল্টালিং, তিনি এ বিষয়ক ৬০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সে নির্মিত এসব পণ্যে রাশিয়ার প্রবেশ নিষিদ্ধ করার একটা সুযোগ ছিল।

জ্যাক ওল্টালিং বলেন, ‘যদি রাশিয়া এসব উপকরণ পাবে না তা নিশ্চিত করা যায়, তবে তারা ইউক্রেনে যে ধরনের সামরিক অস্ত্র ব্যবহার করছে, সেগুলো বানাতেই পারবে না।’

সূত্র:বিবিসি

আরও পড়ুন