সময়ের ঊর্ধ্বে থাকা এক গায়ক নুসরাত ফতেহ আলী খান

এখন থেকে ২৫ বছর আগে ইহকালে গমন করা কাওয়ালী সম্রাট নুসরাত ফতেহ আলী খান এখনো প্রাসঙ্গিক। উপমহাদেশের শিল্পীরা তার মাস্ত কালান্দার ও আলি দা মালং এর মতো গানগুলো বহুবার নতুন করে গেয়েছেন।

কাওয়ালি সুফি ভক্তিমূলক সংগীতের একটি রূপ যার মাধ্যমে মূলত আল্লাহ, মুহাম্মদ (স:) ও তার জামাতা ইমাম আলী ইবনে আবি তালিবের প্রশংসা করা হয়। মূলত উর্দু ও পাঞ্জাবি ভাষায় এবং কখনো কখনো ফারসিতে গাওয়া হলেও এ ধারার সংগীতের সূত্রপাত ভারতবর্ষে ১৩ শতকে।

পাকিস্তানভিত্তিক সুফি রক ব্যান্ড জুনুনের সালমান আহমেদের মতে, কাওয়ালির শাহেনশাহ নুসরাত তার গানের মাধ্যমে শ্রোতাকে এক অপার্থিব প্রশান্তি দানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে নিয়ে যেতেন।

 

৫৮ বছর বয়সী আহমেদ  ইসলামাবাদ থেকে জানান, তার (নুসরাত ফতেহ আলী) কণ্ঠস্বর, অনবদ্য ছন্দ, স্বরকম্পাঙ্ক, আবেগ থেকে আসা টান সবই হৃদয় ছুঁয়ে যেত।  তিনি আরও বলেন, নুসরাত আলী খানের মানসিক শক্তি (স্ট্যামিনা) ছিল ব্যাপক এবং গানের মানের সঙ্গে আপস না করেই সারারাত গান গাইতে পারতেন।

নুসরাত ফতেহ আলী খান ১৯৯৭ সালের ১৬ আগস্ট মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

আরও পড়ুন