গরুর মাংসে বিষাক্ত রঙ

advertisement

রাজধানীতে কোনোভাবেই মাংসের মূল্য বৃদ্ধি রোধ করতে পারছে না সিটি করপোরেশন। সর্বত্রই সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে। তবে মাংস বিক্রেতারা শুধু অতিরিক্ত দামই রাখছেন না, ফ্রিজে রাখা বাসি ও শুকিয়ে যাওয়া মাংসে বিষাক্ত রঙ মিশিয়েও তা বিক্রি করছেন। বোতলে রাখা রক্তবর্ণের এসব রাসায়নিক ক্ষণে ক্ষণে মাংসে লেপ্টে দিয়ে তা সতেজ ও তাজা বলে বোকা বানাচ্ছেন ক্রেতাদের। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে এমন দৃশ্যই দেখতে পায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় অসাধু তিন মাংস বিক্রেতাকে আটকের পাশাপাশি রং মেশানো ৬ মণ মাংসও জব্দ করা হয়।

র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, অভিযানের সময়ে কাঁচাবাজারের দোকানগুলোতে মাংসের দাম যাচাই করা হচ্ছিল। ওই সময়ে ফ্রিজে মজুদ করা মাংস পাওয়া যায় যা দীর্ঘ সময় ধরে মজুদ রাখায় ফ্যাকাসে বর্ণ ধারণ করে। কিন্তু ফ্রিজেই পানির জারের ভেতর পাওয়া যায় রাসায়নিক রং। প্রথমদিকে দেখে মনে হচ্ছিল তা রক্ত। কিন্তু রক্ত তো জমাট বাঁধার কথা। এরপরই জিজ্ঞাসাবাদে মেলে এ বিষাক্ত রঙের কথা। যা ক্ষণে ক্ষণে মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে তা টাটকা ও তাজা রাখতে ব্যবহার করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরবাসীকে সতর্ক করে বলেন, শুরুতে মাংস ব্যবসায়ীদের এমন প্রতারণা ক্রেতারা বুঝতেই পারবেন না। কিন্তু রং মেশানো বাসি মাংস কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন সবাই। এজন্য তিন দোকানের তিনজনকে আটক ও রং মেশানো ৬ মণ মাংস জব্দ করা হয়।

মাংস মণ

You might also like

advertisement