রাজনগর থানার এসআই নাজমার পরকিয়া প্রেম থেকে স্ত্রী দাবীতে ভাইস চেয়ারম্যান বাড়িতে তছনছ

 ১৬ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

এ.কে.অলক মৌলভীবাজার:

রাজনগর থানার কর্মরত নারী পুলিশ নাজমা বেগম, পরকীয়া থেকে গোপনে বিয়ে অতঃপর স্ত্রীর মর্যাদার দাবীতে। উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদের বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর মর্যাদার দাবীতে ঘরের মালামাল তছনছ ও বাড়ির কেয়ার টেকারের সঙ্গে বাকবিতাণ্ডাব অভিযোগে রাজনগর থানার নারী এসআই নাজমা বেগমকে ক্লোজ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক জানান, অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে নাজমা বেগমকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে রাজনগর থানায় যোগদান করেন উপপরিদর্শক নাজমা বেগম। প্রায় দুই বছর রাজনগর থাকেন এর মধ্যে জুড়ি উপজেলায় ৩ মাস কাটিয়ে তিনি আবারো রাজনগর থানায় যোগদান করেন।

এদিকে রাজনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ রাজনগর থানায় যাওয়া আসার সুবাদে তার পরিচয় হয় এবং একসময় উভয়ে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা গোপনে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।

এসআই নাজমা বেগম ও ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ উভয়েই বিবাহিত। তাদের আগের সন্তানও রয়েছে। উভয়ে গোপ বিয়ের পিড়িতে বসলেও এক সঙ্গে থাকা হচ্ছিল না।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে এস আই নাজমা বেগম ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদরে বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। কেয়ার টেকার নয়ান মিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। এসময় এসআই নাজমা বেগম তার ফোন না ধারা ও তাকে ঘরে না তুলা নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা বলেন।

এক পর্যায়ে ঘরের মালামাল তছনছ করেন বলে অভিযোগ করা হয় এবং কেয়ারটেকারে সঙ্গে নাজমা বেগমের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি তার ওপর হামলা করেন বলে সূত্রে জানা যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বণিক মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে জানান পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিক সেই দিন পুলিশ লাইনে নামজমাকে ক্লোজ করেন। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন আহমদ বলেন, এসআই নাজমা ভাইস চেয়ারম্যানের বিয়ের বিষয়টি রাজনগরের সকলেই জানে। ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়েছেন বলে শুনেছি এবং কেয়ারটেকারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা ও হামলার হয়েছি বলে শুনেছি।

এসআই নাজমা বেগম বলেন, আমি একটি মামলার তদন্ত কাজে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। আসার পথে ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে তাকে খোজ করেছি মাত্র। এর বেশি কিছু হয়নি। পরকীয়ার বিষয়ে কোন উত্তর দেননি।

এ ব্যাপারে জানতে ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদের মোবাইল ফোনে কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।