শ্রীমঙ্গলের ক্লোনেল চা বাগানের শ্রমিকদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

 ২৩ মে ২০১৮ বুধবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

এ.কে.অলক মৌলভীবাজার:
শ্রীমঙ্গলের ক্লোনেল চা বাগানের শ্রমিদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেছে ক্লোনেল চা বাগানের শ্রমিকরা।
সরেজমিনে জানা যায় ক্লোনেল চা বাগানের বহিরাগত প্রাণেশ গোয়ালা নামে একজন কে চা বাগানের স্থায়ী কাজে নিয়োগ দেওয়ায় এ অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পাল করে ক্লোনেল চা বাগানে কর্মরত চা শ্রমিকরা। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাণেশ গোয়ালা উপজেলার কালিঘাট ইউপির চেয়ারম্যান।
বুধবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাগানের চা কারখানার সামনে অবস্তান নিয়ে চা শ্রমিকরা বিভিন্ন ম্লোগানে দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। এই কর্মবিরতি পালন করার সময় মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবী মেনে নিয়ে নিয়োগ দেওয়া ঐ বহিরাগত ব্যক্তিকে অপসারণ করার কথা বললে শ্রমিকরা পূনারায় কাজে যোগ দেয়।
চা বাগানের নারী চা শ্রমিক রিতা সাওতাল বলেন, আমরা চা বাগানে অনেকদিন থেকে কাজ করছি। এখানে আমাদের সাথে অনেক শ্রমিক আছে যারা এখনো স্থায়ী নিয়োগ পান নি। তাদের ছেড়ে একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে চা শ্রমিক হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ কেন দেওয়া হবে।
ক্লোনেল চা বাগান পঞ্চায়ত সভাপতি বিমল গোয়ালা বলেন, ক্লোনেল চা বাগানে স্থায়ী শ্রমিক রয়েছে ৮১ জন। হঠাৎ করেই একজন কে বাহির থেকে এনে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ময়কর। এখানে বাগানে আরো ১০০ জন অস্থায়ী শ্রমিক রয়েছেন । চুক্তি অনুযায়ী তাদেরকে চাকুরি দেওয়ার পর বাহিরের কাউকে দেওয়া যাবে। আমরা চা শ্রমিকরা এটা মেনে নিব না।
চা শ্রমিক নেতা পরাগ বাড়াইক বলেন, আমরা চা শ্রমিকদের মুখে এই অনিয়ম এর ঘটনা শুনতে পেয়ে দ্রুত এসেছি। অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করার পর এখন মালিকপক্ষ আমাদের কাছে আশ্বাস দিয়েছেন নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তির নিয়োগ বাতিল করা হবে। এই শর্তে আপাতত আমরা কর্মবিরতি তুলে নিয়েছি। যদি এই শর্ত না মেনে নেওয়া হয় তাহলে চা শ্রমিকরা বিশাল আন্দোলনে যাবে।
চা বাগানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক রনি ভৌমিক বলেন, মালিকপক্ষের সাথে কথা বলে আমরা এই নিয়োগটি বাতিল করানোর আশ্বাসে শ্রমিকরা কাজে ফিরে গেছে।