হোয়াটস অ্যাপে ফেক মেসেজ আসলে কী?

 ১১  আগস্ট ২০১৮ শনিবার     ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

অনলাইন ডেস্ক

হোয়াটস অ্যাপ ত্রুটিপূর্ণ! সামান্য কিছু পরিবর্তন করে খুব সহজেই পাঠানো সম্ভব ‘ফেক ম্যাসেজ’, এমনটাই দাবি করেছে একদল ইজরাইলের গবেষক৷ জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপটিকে (হোয়াটস অ্যাপ) ২০০৯ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল৷ যার মালিকানা ২০১৪ সালে চলে যায় ফেসবুকের হাতে৷

তথ্য জানাচ্ছে, হোয়াটস অ্যাপের এই ত্রুটি হ্যাকারদের কাজকে আরও বেশি সহজ করে তুলবে৷ গ্রুপ বা ব্যাক্তিগতভাবে তাদের (হ্যাকার) পাঠানো ভ্রান্তিকর ম্যাসেজ আরও একবার সমাজকে করে তুলতে পারে অশান্ত৷

বেশ কিছুদিন আগে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একাধিক ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়েছিল৷ যার ফলে অশান্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি৷ ভুয়া খবরগুলির মধ্যে প্রধান ছিল ‘শিশু অপহরণ’এর খবর৷ যার জেরে প্রাণ যায় বহু নির্দোষের৷ এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন৷ কড়া নির্দেশিকা পাঠানো হয় ফেসবুক অধীনস্থ ম্যাসেজিং অ্যাপটিকে৷

এরপর, ভুয়া খবর রুখতে সংস্থা নিয়েছে একাধিক পদক্ষেপ৷ তার মধ্যে হোয়াটস অ্যাপে ফরোয়ার্ড করা মেসেজের সীমা সম্পর্কিত ঘোষণাটি অন্যতম৷

ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়া রুখতে বিশেষ চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল সংস্থা৷ যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটে বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনার বিষয়টি৷ হোয়াটস অ্যাপ জানাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম দিকে হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করেছে ১.৫ বিলিয়ন মানুষ৷ যাদের মধ্যে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ বিলিয়ন মেসেজ বিনিময় হত৷ ভুয়া মেসেজ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি হোয়াটস অ্যাপের জনপ্রিয়তায় সাময়িক ভাটা ফেললেও, বিশেষ কোন প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়নি সংস্থার লভ্যাংশে৷