কুষ্টিয়া সাব-রেজিস্ট্রার হত্যা সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় ক্ষোভ থেকে রেজিস্ট্রার নুর মোহাম্মদকে খুন করে তার দুই পিয়নসহ অন্যরা জড়িত ৪ খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

   ১৪  অক্টোবর ২০১৮ রবিবার    ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

কুষ্টিয়া থেকেঃ

কুষ্টিয়ায় সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নুর মোহাম্মদ শাহ হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে। আটককৃতরা হলো নুর মোহাম্মদের পিয়ন ফারুক,রেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবীশ সাইদুল , মিরপুর সাব রেজিষ্ট্রার অফিসের পিয়ন কামাল ও বাবুল নামের অপর এক ব্যাক্তি। এছাড়া আরো কয়েকজন ব্যাক্তি এ ঘটনার সাথে জড়িত আছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। রেজেস্ট্রি অফিস থেকে সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় ক্ষোভ ছিল তাদের মধ্যে। এছাড়া নুর মোহাম্মদ কুষ্টিয়া থাকলে তাদের সব আয়ও বন্ধ হয়ে যাবে, এসব ক্ষোভ থেকে তারা নুর মোহাম্মদকে খুন করতে ওই ফ্লাটে যায়। এরপর টাকা পয়সা না পেয়ে হাত-পাঁ বেঁধে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় খুনিরা। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত রোববার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের নুর মোহাম্মদ হত্যাকান্ডের বিষয়ে এসব তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম, সহকারি পুলিশ সুপার নুরানী ফেরদৌস, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শখ সাব্বিরুল ইসলামসহ অন্যরা। এসময় আসামীদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই আরো তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানান পুলিশ সুপার। এ জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে আদালতে। পুলিশ সুপার জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হত্যার ৪দিন পর ১৩ অক্টোবর রাতে শহরের হাউজিং থেকে জড়িত কামালাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ফারুক, সাইদুল ও বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। আরো তথ্য জানার জন্য তাদের রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। এ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রশি, গামছাসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর শহরের ভাড়া বাসায় খুন হন সদর উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার নুর মোহাম্মদ। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে পরদিন মডেল থানায় মামলা করেন। নিহত নুর মোহাম্মদের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার মৌলা গ্রামে।