শ্রীমঙ্গলে যেভাবে স্বামীকে হত্যা করেন স্ত্রী

 ২৬ জুলাই  ২০১৭, বুধবার সহ দেখতে ক্লিক করুন
মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের সুরভীপাড়ায় ফারুকুল ইসলাম নামের এক যুবককে হত্যার দায়ে স্ত্রী শিরিন আক্তার পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত সোমবার রাতে জবানবন্দি দেওয়ার পর মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে শিরিনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। নিজের জবানবন্দিতে শিরিন জানিয়েছেন, কিভাবে খুন হন ফারুক। শিরিনের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম নজরুল জাহান কাজল বলেন, ‘ফারুকুল ইসলাম সোমবার সকালে ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় তার চার বছরের শিশু সন্তান ফাইজা তাবাসুম ঘুমের মধ্যে তাকে বিরক্ত করে। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে স্ত্রী শিরিন আক্তারকে গালমন্দ করে শিশু বাচ্চাকে নানীর কাছে রেখে আসতে বলেন। শিরিন সন্তানকে নানীর কাছে রেখে এসে ঘরে আসার পর তাকে গালিগালাজ শুরু করেন ফারুক। উভয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ফারুক তার স্ত্রীর চুলের মুঠি ধরেন। এ সময় শিরিন আক্তার পাশেই রাখা স্টিলের ট্রে দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করেন এবং তার বুকের উপর সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ফেলে ফারুককে হত্যা করেন।উল্লেখ্য, গত সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম নজরুলর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফারুকের নিজ বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। নিহত ফারুক শ্রীমঙ্গল শহরতলীর সদর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও এলাকার মৃত ইমাম উদ্দিনের পুত্র। এ ঘটনায় ওই সময়ই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিরিন আক্তারকে আটক করা হয়। ফারুকের মামা মাসুক মিয়া বাদী হয়ে শিরিন আক্তার ও তার দুই ভাইকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।