লম্পট পুলশিরে চক্রান্তরে শকিার কমলগঞ্জরে এক অবলা নারী

 ০৮ আগস্ট  ২০১৭, মঙ্গলবার সহ দেখতে ক্লিক করুন

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার সহজ সরল এক মহিলা নারী লোভী লম্পট পুলিশ কর্মকর্তা আবু তাহেরের চক্রান্তের শিকার হয়ে বিচারের  আশায় আজ ধারে ধারে গুরে বেড়াচ্ছেন। জানা যায় কনস্টেবল থেকে সদ্য উত্তীর্ণ এএসআই পুলিষ কর্মকর্তা আবু তাহের  বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৪চার বছর ধরে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে একাধিকবার প্রতারিত মহিলার সাথে মেলামেশা কওে আসছিল। রঙ বেরঙের স্বপ্ন দেখিয়ে ঐ মহিলার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক প্রয়োজন এবং নিজের পদোন্নতির জন্য নগদ ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে কমলগঞ্জ থানার সামান্য কনস্টেবল থেকে সদ্য পদোন্নিত নরসিংদির জেলার শিবপুর থানার চাইলতা কান্দি গ্রামের সাদেক ভূইয়ার ছেলে আবু তাহের বর্তমানে রাজনগর থানায় এএসআই হিসাবে কর্মরত আছে। জানা যায়, তিনি খোজ নিয়ে জানতে পারেন  আবু তাহের ইতি মধ্যে ৩টি বিয়ে করেছে। লম্পট আবু তাহেরের প্রতারনা বুঝতে পেরে ২০১৬ সালের শেষের দিকে তাহেরের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান মহিলা কিন্তু চতুর তাহের মোবাইল ফোনে মহিলার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ইং দুপুরের দিকে কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজারস্থ মহিলা নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আবু তাহের মহিলাকে জোর পূর্বক ধষর্ণ করে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম মহিলা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মৌলভীবাজারে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৬৩/২০১৭ইং ঘটনার অনুসন্ধান ও নির্যাতিত মহিলার কাছ থেকে জানা যায়, ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে মেডিকেল রিপোর্ট বানচালের চেষ্টা করে আবু তাহের। বিভিন্ন মাধ্যমে অনেক ভয়ভীতি ও দেখানো হয় মহিলাকে কিন্তু স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও ওয়েবপোটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ পায় । লম্পট তাহের বিভিন্ন জনকে হাতে পায়ে দরে ভিকটিম কে নিয়ে সমঝোতার জন্য চেষ্টা চালায় মধ্যস্থতা কারীরা কয়েকবার ভিকটিম মহিলাকে নিয়ে বৈঠক করে মহিলাকে বিভিন্ন প্রলোভন ও মোটা অংকের টাকা দিয়ে মামলাটি উঠিয়ে নেওয়ার জন্য ভিকটিম মহিলা মধ্যস্থকারীর বৈঠক গুলোকে অস্বিকৃতি জানিয়ে প্রতারক পুলিশ আবু তাহেরের আইনানুগ উচিত বিচার চান। হাসপাতাল থেকে ৩মাসে মেডিকেল রিপোর্ট থানায় পৌছাল আরোও ২মাস পর কমলগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার রিপোর্টির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা না দিয়ে বিভিন্ন তাল বাহানা করে আটকে রাখেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মহোদয় বরাবর ভিকটিম মহিলা বিচার চেয়ে আবেদন করলে তিনি দ্রুত তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিলেও থানা পুলিশ তা অবহেলা করে ফেলে রাখে। ঘটনার দিন ২৬ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১ঘটিকা সময় তাহের ডিউটিতে ছিল মর্মে দুইজন পুলিশকে স্বাক্ষী সরুপ দার করিয়েছে যারা আস্থাবাজন। তার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগনকে জিজ্ঞাসা করলে হাজিরা বহি তদন্ত করে অনুসন্ধান করলে বেড়িয়ে আসবে মূল বিষয়টি।