টিএক্সআর এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষির নাম থাকায় ডোমারে কর্মস্থলে ৪০মিনিট দেরীতে পৌছানোয় এক রেল কর্মচারীর ৩০ দিনের বেতন কর্তন

 ২৬ এপ্রিল ২০১৭, বুধবার সহ দেখতে ক্লিক করুন

শাহ মো: জিয়াউর রহমান, নীলফামারী:

নীলফামারীর ডোমার চিলাহাটী রেলওয়ে ক্যারেজ ডিপোর হেড টিএক্সআর এর বিরুদ্ধে ওই ডিপোর এক রেল কর্মচারী কর্মস্থলে ৪০মিনিট দেরীতে পৌছানোর খোরা অজুহাতে ৩০ দিনের বেতন কর্তন করার অভিযোগ উঠেছে। হঠাৎ বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই রেলকর্মচারীর কলেজ পড়–য়া ছেলে মেয়ে নিয়ে দিশেহারা। অনুসন্ধানে জানাগেছে, উপজেলার চিলাহাটী রেল ষ্টেশনের রেলওয়ের ক্যারেজ ডিপোর কর্মচারী খালাসি সনাতন চন্দ্র রায় ওই ডিপোর হেড টিএক্স আর (সিনিয়র সাব-এসিটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার) ও আলতাফ হোসেন টি এক্স আর এর বিরুদ্ধে হিন্দু,বৈধ্য,খ্রিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ ডোমার(নীলফামারী) বরাবরে ধর্মীয় বঞ্চনার নানা লিখিত অভিযোগ করে। তার এই অভিযোগ পত্রে ফিটার-১ এর কর্মচারী আব্দুল হাকিম,শফিকুল ইসলাম(খালাশি) ও ইউসুফ আলী (খালাশী) স্বাক্ষি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে চিলাহাটী রেলওয়ের ক্যারেজ ডিপোর হেড টিএক্স আর সোহেল রহমান ও আলতাফ হোসেন টি এক্সআর ক্ষিপ্ত হয়ে নানা ভাবে হয়রানী করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসের প্রথম দিকে আব্দুল হাকিম তার ডোমার বাসা থেকে ২২কিমি দুরে চিলাহাটী কর্মস্থলে মাত্র ৪০ মিনিট দেরীতে পৌছালে সেদিন থেকে হেড টিএক্স আর সোহেল রহমান নানা বাহানায় তাকে কাজে যোগদানে বাধা দেয় । এবিষয়ে আব্দুল হাকিম প্রতিবেদকে বলেন,আমি নিয়মিত কাজে এসেছি কিন্তু সোহেল রহমান গোপনে আমার বীল সিটে অনুপস্থিত দেখিয়ে পাকশি ডিপিও বরাবরে পাঠিয়েছেন। তাই আমার বেতন হয় নাই। ওই ডিপোর একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেদককে জানান, হেড টিএক্স আর সোহেল রহমানের সাথে ডিএমই/সি পাকশি ময়নুদ্দিনের সখ্যতা থাকায় তিনি হেড টিএক্স আর সোহেল রহমানের নানা অপকর্ম শুধু ঢেকেই রাখেন তা-না তাকে সহোযোগীতাও করছেন। খালাসি সনাতন চন্দ্র রায়ের অভিযোগটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ডিএমই/সি পাকশি ময়নুদ্দিন মোবইল ফোনে আমাদের বলেছে, তদন্ত আসলে তোমরা বলবে,সনাতনের সকল অভিযোগ মিথ্যা, সে আব্দুল হাকিমের বুদ্ধিতে এমন অভিযোগ করেছে। এবিষয়ে হেড টিএক্সআর সোহেল রহমান, টি এক্স আর আলতাফ হোসেন প্রতিবেদককে জানান, সে প্রায় দেরীতে কাজে আসলে কিভাবে তার বিল হবে ? এবিষয়ে ডিএমই/সি পাকশি ময়নুদ্দিন কে মুঠোফোনে , একজন দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা হয়েও কোন তদন্ত না করে উল্টো স্বাক্ষি আব্দুল হাহিমের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর জন্য অন্যন্যদের কেন ফোনে চাপ দিচ্ছেন ? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি তা অস্বিকার করে ফোন বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রেলের আইনে লঘু পাপে এমন গুরু দন্ড দেয়ার নজির আছে বলে আমাদের জানা নাই। আসল কথা সনাতনের অভিযোগের স্বাক্ষী থেকে অন্যন্যদের মতো মুলেকা দিয়ে নাম প্রত্যাহার না করায় তাকে এমন নাজেহাল করা হচ্ছে। তারা আরো জানায়,হেড টিএক্সআর সহ ২জন টিএক্সআর ডিএমই/সি পাকশি ময়নুদ্দিন কে ম্যানেজ করে প্রায় চিলাহাটিতে থাকেন না। তাদের বেলায় কোন শাস্তি হয় না।