জলিরপাড়-সিন্দিয়া কাঁচা সড়ক গোপালগঞ্জে সড়কের উপর সাঁকো ১০ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ

 ৩১ অক্টোবর ২০১৭ মঙ্গলবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন  

এইচ এম মেহেদী হাসানাত,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়-সিন্দিয়া কঁচা সড়কের একটি অংশে সাঁকো দিয়ে চালাচলকারী ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। বৃষ্টিতে কাঁচা এসড়কটিতে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এখন সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গার মাটি সরে গেছে। বৃষ্টি হলে সড়কটির জলিরপাড়ের কিছু অংশ পানিতে ডুবে যায়। তখন এলাকাবাসী সড়কের ওপর বাঁশের সাঁেকা দিয়ে চলাচল করে। চলাচলের অনুপযোগী এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ছেন। এ সড়কে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে এলাকাবাসীকে যারপর নাই কষ্ট করতে হচ্ছে। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাতায়াতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়া ইউনিয়নের জলাভূমি বেষ্টিত পশ্চাদপদ আবাদিবাড়ী, গজাড়িয়া, উল্লাবাড়ী, সিন্দিয়া, খালিয়া, জলিরপাড়, দক্ষিণ জলিরপাড়, শান্তিপুর, হঠাৎগ্রাম, পূর্বপাড়া গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্ধে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ৩০ বছর আগে মাটির এ কাঁচা সড়কটি নির্মাণ করা হয়। দক্ষিণ জলিরপাড় গ্রামের নিতিশ তালুকদার বলেন , প্রায় ৩০ বছর আগে এ সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তারপর আর কোন সংস্কার করা হয়নি। এ কারণে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ সড়কে ১০ গ্রামের অন্তত ৫ হাজার মানুষ চলাচল করে। চলাচল করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শিক্ষার্থী মণি বিশ্বাস বলেন, স্কুলে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতে বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। বৃষ্টিতে সড়কে কাঁদা হয়ে যায়। এছাড়া ছোট বড় গর্তের এ সড়কে চলাই দায়। জলিরপাড় গ্রামের মোঃ হানিফ শেখ বলেন, এ সড়কে চলতে গিয়ে আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। বর্ষাকালে সড়কটির জলিরপাড় স্থান পানির নীচে চলে যায়। তখন যাতায়াত করতে সড়কের ওপরে বাঁশের সাঁকো তৈরী করা হয়। এ সাঁকো দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে। যাতায়াত ও উৎপাদিত কৃষি পন্য পরিবহনে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় ৩০ বছর ধরে আমাদের এ ভোগান্তি চলছে। সড়কটি পাঁকা করলে আমাদের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। দ্রুত সড়কটি পাঁকা করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

জলিরপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র বৈরাগী ওই সড়কের দুর্দশার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা এ সড়কের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে জেলা পরিষদে অনেক আগেই পাঠিয়েছি। ইতোমধ্যে এ প্রকল্প পাশ হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এ সড়কে ইট বিছানোর কাজ করা হবে। অচিরেই এ সড়কের এ কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।