বাঞ্ছারামপুরে ৯ বছরের এতিম শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

 ৮ মে ২০১৮ মঙ্গলবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

অনলাইন ডেস্কঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচরে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আবুল মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গত ২৮ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটলেও মঙ্গলবারই আলোচনায় আসে। ধর্ষিতা কন্যা শিশুটি স্থানীয় একটি আলিয়া মাদ্রাসার ২য় শ্রেণির ছাত্রী। তার পিতা ও মা কেউ বেঁচে নেই। নানার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল বিকেলে আবুল মিয়া মেয়েটিকে ফুসলিয়ে তাদের বাড়ির উত্তরভিটার চৌচালা ঘরে নিয়ে যায়। আবুল মিয়ার বাড়িতে ওইদিন তার পরিবার না থাকার (বেড়াতে গিয়েছিলো) সুযোগে শিশুটিকে ঘরে জুস খাওয়ার কথা বলে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে তাকে খুন করা হবে বলে ভয় দেখায়। কিন্তু ধর্ষণে পর শিশুটি বাড়ি এসে তার পরিবারের কাছে কথা বলে দেয়।

শিশুটির নানা ফরিদ মিয়া বলেন, ‘আমরা তখন লোকলজ্জার ভয়ে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করাই। আমি বিষয়টি মেম্বারকে জানাই। মেম্বার বলেন বিচার করে দিবেন। বিচারে আবুল ৩ শতক জায়গা এতিম শিশুটিকে দেয়ার কথা সাব্যস্থ হয়। কিন্তু, সে পালিয়ে যাওয়ায় বিলম্বে মামলা করতে থানায় এলাম’।

এ বিষয়ে কথা বললে স্থানীয় মেম্বার মো. রশিদ মিয়া জানান, ধর্ষণের অভিযোগ শতভাগ সত্য। আমরা স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করতে চেয়েছিলাম।কিন্তু আবুল মিয়া আমাদের কথা রাখেনি। আবুল মিয়া বিবাহিত ও তার নাতি আছে। বর্তমানে সে পলাতক।

এদিকে, স্থানীয় অনেকে অভিযোগ করেছেন ধর্ষণের পর মাত্র ৩ শতক জায়গা বিনিময়ে ফয়সালা না হতো তাহলে আজ আবুল মিয়া পালিয়ে যেতে পারতো না। সেই গ্রাম্য সালিশে স্থানীয় অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো.নিজাম উদ্দিন জানায়, ‘আমরা অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করেছি, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে’।