সরিষাবাড়ীতে তথ্য অধিকার আইন মানছে না পিআইও অফিস

 ২৭ এপ্রিল ২০১৮ শুক্রবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

সরিষাবাড়ী জামালপুর,জেলা প্রতিনিধিঃ 

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে তথ্য অধিকার আইন মানছে না ত্রাণ-পূণর্বাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। তথ্য অধিকার আইনে ক ফরমে আবেদন করেও সরকারী উন্নয়নমূলক প্রকল্পের তালিকা প্রদানে নানা গড়িমসির নানা অভিযোগ রয়েছে ত্রাণ পূণর্বাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন সরিষাবাড়ী কার্যালয়ের বিরুদ্ধে। সূত্রে প্রকাশ, ২০১৭-১৮ইং অর্থ বছরে ১ম পর্যায় সরকারী অর্থায়নে দেশের অন্যান্য জেলা উপজেলার মতোই সরিষাবাড়ীতেও নানা উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্ধ আসে। প্রায় দেড় মাস আগে ২০১৭-১৮ইং অর্থ বছরের ১ম পর্যায় সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা চেয়ে প্রকল্প সভাপতি উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাইফুল ইসলাম বরাবর তথ্য অধিকার আইনে ক ফরম অনুযায়ী লিখিত আবেদন করেন সাপ্তাহিক অপরাধ তথ্য চিত্রের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি হারুন অর রশীদ। উপজলা নির্বাহি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম হারুন অর রশীদের লিখিত আবেদন পেয়ে উপজেলা পিআইও আব্দুর রাজ্জাককে মার্ক করে তালিকা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। তথ্য অধিকার আইনের ক ফরম অনুযায়ী অপরাধ তথ্য চিত্রের প্রতিনিধি হারুণ অর রশীদ তালিকা প্রাপ্তির জন্য বার কয়েক পিআইও আব্দুর রাজ্জাকের স্মরণাপন্ন হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক আজ-কাল করে প্রকল্প তালিকা প্রদানে নানা গড়িমসি করতে থাকেন। ইতিমধ্যেই প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হয়ে যায়। বিন্তু প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হলেও অপরাধ তথ্য চিত্রের প্রতিনিধি হারণকে অদ্যাবধি প্রকল্পের তালিকা প্রদান করা হয়নি বলে জানা গেছে। পিআইও আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার ক ফরম মতে তালিকা প্রদানে গড়িমসির অভিযোগ রয়েছে অন্যান্য কতিপয় সাংবাদিকদেরও। তিনি তালিকা প্রদান না করে স্থানীয় নেতাদের স্মরণাপন্ন হয়ে উপরুন্ত তালিকা প্রাপ্তির আবেদনকারীদেরকে জব্দ করার অভিযোগও রয়েছে। এ বিষয়ে পিআইও আব্দুর রাজ্জাকের কয়েকবার যোগাযোগ করেও প্রকল্প তালিকা পাওয়া যায়নি। প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের নিকট টি আর সাধার ও বিশেষ এবং কাবিটা সাধারণ ও বিশেষ প্রকল্পের তালিকা চাইতে গেলে তিনি স্থানীয় রাজু ডিলারের নিকট থেকে তালিকা নিতে বলেন। রাজু ডিলারের নিকট তালিকা চাইতে গেলে তিনি বলেন আমরা সরকারী দলের কর্মী। আমরা কাউকে দেই না,আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করে খাই। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক বছরের মধ্যেই টিআর জিআর কাবিটা,ত্রাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সংশিষ্টদের সাথে আঁতাত করে কয়েক বছরের মধ্যেই কোটি কোটি টাকা,বিলাস বহুল বাড়ী,ঝুমুর ইট ভাটাসহ বিশ-পচিঁশ বিঘা আবাদি জমির মালিক বনে গেছেন। কে এই রাজু ডিলার ? ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি। উলেখ্য, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্থানীয় এলাকার সচেতন মহলে অভিযোগ উঠেছে ২০১৭- ১৮ইং অর্থ বছরের ১ম পর্যায় বিভিন্ন প্রকল্প নানা অনিয়ম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রকল্প সংশিষ্টগণ। নাম মাত্র কাজ কিংবা কাগজে কলমে বাস্তবায়ন দেখিয়ে প্রতিটি প্রকল্পের অনূকুলে সমূদয় বরাদ্ধের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছে প্রকল্প সংশিষ্টরা । উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারী তালিকানুযায়ী কাজ না হওয়ায় নানা প্রশ্ন দানা বেধে উঠে সচেতন মহলসহ এলাকাবাসির মধ্যে। বিষয়টি সরকারের নিকট তদন্তের দাবীও তুলেছেন অনেক সচেতন ব্যক্তিবর্গ।