গাইবান্ধায় কনকনে ঠান্ডায় দরিদ্র মানুষের অবস্থা কাহিল

 ৯ জানুয়ারি২০১৮ মঙ্গলবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধায় টানা কয়েকদিনের শৈত্যপ্রবাহ ও কনকনে ঠান্ডার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষরা। তীব্র ঠান্ডার সাথে কুয়াশার প্রকোপও বেড়ে গেছে। ফলে শস্যে ক্ষেতের শস্য ফুল ঝড়ে পড়ছে এবং শীতকালিন নানা সবজিগুলোতে ছত্রাক রোগের প্রকোপ বেড়েছে। এছাড়া কনকনে ঠান্ডায় বৃদ্ধ ও শিশুদের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছে। দুপুর বেলা সুর্যের দেখা মিললেও তাতে কোন উত্তাপ না থাকায় শীতের প্রকোপ কমছে না। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে কৃষকরা ক্ষেতে নামতে পারছে না। ফলে ইরি-বোরো চাষ পিছিয়ে পড়ায় তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আসংকা দেখা দিয়েছে। শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকলে শীতকালীন নানা সবজি, বোরো বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে। এদিকে বিকেল ৩টার পর থেকে শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা ও উপজেলা সদরে কমতে শুরু করে মানুষ ও যানবাহনের সংখ্যা। এছাড়া কুয়াশার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় সন্ধ্যার আগেই নদী পথে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ জেলার ৪টি উপজেলার ১২০টি চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও কোল্ড  প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় বৃদ্ধ ও শিশুরা এতে আক্রান্ত হচ্ছে বেশী। ফলে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগেও শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি করেছে শীতার্ত মানুষেরা। এছাড়া শীতার্ত মানুষের জন্য আশা গাইবান্ধা জেলার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালের নিকট মঙ্গলবার জেলা কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে ৩৩৬টি কম্বল হস্তান্তর করা হয়।