গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষকে পুনর্বাসিত করা হবে এবং আগামী ফসল ওঠা না পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে

  ২৬ আগস্ট  ২০১৭,      শনিবার সহ দেখতে ক্লিক করু


গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বোরো ফসল চাষে পুনর্বাসন ও সহায়তা দেয়া হবে। এবারের বন্যায় কৃষকরা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে যেখানে কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়েছে সেখানে কৃষকদের চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হবে। এছাড়া প্রতিটি কৃষক যাতে এক বিঘা জমি চাষ করতে পারে সেজন্য তাদের কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। এ দেশের মানুষ যাতে ভাল থাকে সেজন্য আমাদের সরকার সবসময় চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এবারের বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে উত্তরাঞ্চলের গাইবান্ধা জেলায় সাতটি উপজেলা ও ১টি পৌরসভা এলাকায় ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। সেজন্য নদী শাসন করে বন্যা নিয়ন্ত্রন এবং নদী ভাঙ্গন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বন্যায় যাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে তাদের সবার ঘরবাড়ি পুনঃ নির্মাণ করে দেয়া হবে। ত্রাণ হিসেবে টিন দেয়া হবে এবং যে সমস্ত কৃষকদের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের চলতি আমন মৌসুমের পাশাপাশি আগামী রবি মৌসুমেও ইরি-বোরো ধান চাষে এবং রবি ফসল উৎপাদন এবং ইরি-বোরো ধানের চারা, বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ দেয়া হবে। যাতে তারা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে। এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর মানুষকে আমরা বিনা পয়সায় খাদ্য দেবো। তাছাড়া প্রতিটি পরিবার ১০ টাকা মূল্যে ৩০ কেজি দরে চাল ক্রয় করতে পারবে। এভাবে সরকার দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে আগামী ফসল না ওঠা পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখবে। অতিদরিদ্র মানুষদের ভিজিএফ এবং ভিজিডি কর্মসূচীর মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। এতে প্রতিটি মানুষ যেন দু’বেলা পেট ভরে খেতে পারে। তিনি বলেন, এবারের বন্যায় ইতোমধ্যে গাইবান্ধা জেলায় ১ হাজার ৪শ’ মে. টন চাল ও ৪৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান দুখি মানুষের মনে ছিল। ১৯৭৫ সালে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সেজন্য তিনি তার কাংখিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের ভাগ্য ফেরাতে এই আ’লীগ সরকার ত্রাণ তৎপরতা চালিয়েছে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দুঃখ কষ্ট নিরসনে বন্যা পুনর্বাসনে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে। বন্যার পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন কবলিত, বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও কৃষকদের  কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। বন্যার পানি কমে না যাওয়া

পর্যন্ত কৃষি ঋণের কিস্তির টাকা আদায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং সুদ মওকুফের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আ’লীগ সরকার জনগণের সরকার। যারা মানুষের কল্যাণ করে না শুধু ধংসেযোগ্য ক্ষতির চিন্তা করে জনগণ আর তাদের পাশে দাঁড়াবে না। যারা এই সরকারের বিরোধীতা করছেন তারাই তো বিগত নির্বাচন বানচাল করতে জ্যান্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে, সন্ত্রাস নাশকতা চালিয়েছে। তাদের কোনদিন ক্ষমতায় যেতে সুযোগ দেবে না জনগণ। এদেশের মানুষ তাদের কোন দিন মেনেও নেবে না। অত্যাচার অনাচারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বলেই আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পেরেছে। তিনি উলেখ করেন, এই বাংলাদেশে আর কোন জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মাদকতা আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এদেশের প্রতিটি বাবা মা শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদকতা নির্মুলে তৎপর হতে হবে। তাদের খোঁজ রাখতে হবে, তাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে। এদেশের একটি মানুষও না খেয়ে কষ্ট পাবে না। ছেলেমেয়েরা সবাই শিক্ষার সুযোগ পাবে। সেজন্য বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ ও একটি করে স্কুল জাতীয়করণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সেইসাথে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে দেশে শিল্প উৎপাদন বাড়িয়ে বেকারত্ব দুরীকরণের মাধ্যমে আমরা জনগণের ভাগ্য ফেরাতে চাই। তথ্য প্রযুক্তি বিকাশের আওতায় যুবক শ্রেণীকে প্রশিক্ষিত করতে আর্নিং এন্ড লার্নিং কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেই ঘরে বসেই যুবকরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যেখানে ২০ প্রকাশের অতি প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারি ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার গোবিন্দগঞ্জের বোয়ালিয়ার হেলিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবতরণ করেন ১০টার পর। এরপর তিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ পূর্বে তিনি বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি গাইবান্ধা জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী ও আমন ধানের চারা বিতরণ করেন। ত্রাণ বিতরণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধি সমাজ, বন্যা ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম ও মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, খাদ্য মন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, ইউনুস আলী সরকার এমপি, গোলাম মোস্তফা এমপি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এমপি, গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ-শামস- উল আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন মোলা, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চাল করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ

চৌধুরী এমপি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বোরো ফসল চাষে পুনর্বাসন ও সহায়তা দেয়া হবে। এবারের বন্যায় কৃষকরা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে যেখানে কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়েছে সেখানে কৃষকদের চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হবে। এছাড়া প্রতিটি কৃষক যাতে এক বিঘা জমি চাষ করতে পারে সেজন্য তাদের কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। এ দেশের মানুষ যাতে ভাল থাকে সেজন্য আমাদের সরকার সবসময় চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এবারের বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে উত্তরাঞ্চলের গাইবান্ধা জেলায় সাতটি উপজেলা ও ১টি পৌরসভা এলাকায় ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। সেজন্য নদী শাসন করে বন্যা নিয়ন্ত্রন এবং নদী ভাঙ্গন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বন্যায় যাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে তাদের সবার ঘরবাড়ি পুনঃ নির্মাণ করে দেয়া হবে। ত্রাণ হিসেবে টিন দেয়া হবে এবং যে সমস্ত কৃষকদের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের চলতি আমন মৌসুমের পাশাপাশি আগামী রবি মৌসুমেও ইরি-বোরো ধান চাষে এবং রবি ফসল উৎপাদন এবং ইরি-বোরো ধানের চারা, বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ দেয়া হবে। যাতে তারা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে। এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর মানুষকে আমরা বিনা পয়সায় খাদ্য দেবো। তাছাড়া প্রতিটি পরিবার ১০ টাকা মূল্যে ৩০ কেজি দরে চাল ক্রয় করতে পারবে। এভাবে সরকার দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে আগামী ফসল না ওঠা পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখবে। অতিদরিদ্র মানুষদের ভিজিএফ এবং ভিজিডি কর্মসূচীর মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। এতে প্রতিটি মানুষ যেন দু’বেলা পেট ভরে খেতে পারে। তিনি বলেন, এবারের বন্যায় ইতোমধ্যে গাইবান্ধা জেলায় ১ হাজার ৪শ’ মে. টন চাল ও ৪৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান দুখি মানুষের মনে ছিল। ১৯৭৫ সালে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।সেজন্য তিনি তার কাংখিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের ভাগ্য ফেরাতে এই আ’লীগ সরকার ত্রাণ তৎপরতা  চালিয়েছে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দুঃখ কষ্ট নিরসনে বন্যা পুনর্বাসনে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে। বন্যার পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন কবলিত, বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও কৃষকদের পুনর্বাসন কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। বন্যার পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত কৃষি ঋণের কিস্তির টাকা আদায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং সুদ মওকুফের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আ’লীগ সরকার জনগণের সরকার। যারা মানুষের কল্যাণ করে না শুধু ধংসেযোগ্য ক্ষতির চিন্তা করে জনগণ আর তাদের পাশে দাঁড়াবে না। যারা এই সরকারের বিরোধীতা করছেন তারাই তো বিগত নির্বাচন বানচাল করতে জ্যান্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে, সন্ত্রাস নাশকতা চালিয়েছে। তাদের কোনদিন ক্ষমতায় যেতে সুযোগ দেবে না জনগণ। এদেশের মানুষ তাদের কোন দিন মেনেও নেবে না। অত্যাচার অনাচারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বলেই আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পেরেছে। তিনি উলেখ করেন, এই বাংলাদেশে আর কোন জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মাদকতা আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এদেশের প্রতিটি বাবা মা শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদকতা নির্মুলে তৎপর হতে হবে। তাদের খোঁজ রাখতে হবে, তাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে। এদেশের একটি মানুষও না খেয়ে কষ্ট পাবে না। ছেলেমেয়েরা সবাই শিক্ষার সুযোগ পাবে। সেজন্য বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ ও একটি করে স্কুল জাতীয়করণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সেইসাথে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে দেশে শিল্প উৎপাদন বাড়িয়ে বেকারত্ব দুরীকরণের মাধ্যমে আমরা জনগণের ভাগ্য ফেরাতে চাই। তথ্য প্রযুক্তি বিকাশের আওতায় যুবক শ্রেণীকে প্রশিক্ষিত করতে আর্নিং এন্ড লার্নিং কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেই ঘরে বসেই যুবকরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যেখানে ২০ প্রকাশের অতি প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারি ওষুধ  বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার গোবিন্দগঞ্জের বোয়ালিয়ার হেলিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবতরণ করেন ১০টার পর। এরপর তিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ পূর্বে তিনি বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি গাইবান্ধা জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী ও আমন ধানের চারা বিতরণ করেন। ত্রাণ বিতরণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,

সুধি সমাজ, বন্যা ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম ও মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, খাদ্য মন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, ইউনুস আলী সরকার এমপি, গোলাম মোস্তফা এমপি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এমপি, গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার, জেলা আওয়ামী লীগ

সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ-শামস- উল আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন মোলা, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চাল করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদচৌধুরী এমপি।