সাংবাদিকতায় মামলা আর পাণ্ডামি উপভোগ

 ১৪ জানুয়ারি২০১৮ রবিবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

অনলাইন ডেস্কঃ

সাংবাদিক, লেখক, কবি-সাহিত্যিকদের নাজেহাল করা একদম সহজ কাজ। যার যখন মন চায় একেবারে পান্তাভাতের মতো কাজটা করে দিতে পারে। তেমন কোনো বাধা আসে না। সুকুমার রায়ের ছড়ার মতো অবস্থা। নিরীহ বলে তারা ‘করে না কো ফোঁসফাঁস, মারে না কো ঢুঁশঢাঁশ।’ এ জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর হতে হয় না। কমজোরি বা কোনো অকর্মার হাড্ডিও তা ঘটিয়ে দিতে পারে। দিচ্ছেও। মামলা, আজেবাজে মন্তব্য, পথে-ঘাটে নাজেহাল বা হুমকি-ধমকি। করে দিলেই হলো। বিচার? যারা এর শিকার হয়েছেন, এখনো হচ্ছেন, হাড়ে হাড়ে বিচারের বহর টের পান তারাই।

সেদিক থেকে ছেদ ফেলেছেন বহুল প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম। কাবু না হয়ে মোকাবিলার পথটা বেছে নিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমার এই প্রিয়জন কমছে কম দুই ডজন মামলার আসামি। সমন-পরোয়ানার সঙ্গে জামিনও হয়েছে কয়েকটিতে। সঙ্গে বোনাস হিসেবে রয়েছে হুমকি-ধমকি। ভয় না পেয়ে, কাহিল না হয়ে তিনি এখন তা এনজয় শুরু করেছেন। যেন তৈরিই থাকেন হাজিরা, জামিন এমনকি আটকের জন্যও। নমুনায় মনে হয় সম্পাদক পরিষদ, ইউনিয়ন বা কারও দ্বারস্থ না হয়ে নিজেরটা নিজে আইনি মোকাবিলাকে পেশার অংশ হিসেবে নিয়েছেন তিনি। হয়তো সাংবাদিকতার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও ভাবছেন। নঈম নিজামের এ নজির তৈরির চেষ্টার কাছাকাছি সময়ে দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে রাজশাহীতে।

বলা হয়ে থাকে, সাংবাদিকদের কোনো বন্ধু নেই। আবার উল্টোদিকে সাংবাদিকদের বন্ধু অফুরান। পরিবেশিত সংবাদ পক্ষে গেলে এ সাংবাদিক ভীষণ নিরপেক্ষ এই বন্ধুদের কাছে। এটাকে সাংবাদিকের পেশাগত কর্তব্য বলে মনে করার দায়িত্ববান বন্ধু রয়েছেন। আর বিপক্ষে গেলে বা মন-মতো না হলে গালমন্দ। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ। এ সংস্কৃতি গোটা দুনিয়াতেই চলমান। সাংবাদিকরা পৃথিবীর সবচেয়ে অসৎ মানুষ—দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম বাণী। এই কিছিমের কথামালা রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির বাজারেও। অর্থমন্ত্রী কয়েকবার সাংবাদিকদের সম্বোধন করেছেন রাবিশ নামে। এক সময়ের বহুল আলোচিত সমাজকল্যাণমন্ত্রী মরহুম সৈয়দ মহসিন আলী বেশ কবার বলেছেন, সাংবাদিকরা খবিশ। আমাদের মহান সংসদের মহান বিরোধীদলীয় নেত্রী সাবেক ফার্স্টলেডি রওশন এরশাদ বলেছেন, দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ায় পোলাপাইনগুলো সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছে। বোঝাই তো যাচ্ছে, সাংবাদিকদের সম্পর্কে কত উপলব্ধি ও সহমর্মিতা সামর্থ্যবানদের?

সেই বোধ থেকেই সাংবাদিকদের নাজেহাল হওয়া নিয়ে মন্ত্রী, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের রস করতে খুব পছন্দ। কিছুদিন আগে, এক সাংবাদিককে পুলিশ নাজেহাল করার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও তা করেছেন। বলেছেন, পুলিশ আসলে সাংবাদিকদের নির্যাতন করে না। মাঝে-মধ্যে একটু পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি লেগে যায়। প্রেস ক্লাবসহ আশপাশে সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের বেধড়ক পিটুনি ও টিয়ার শেল পর্বের পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন বিএনপির এক সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মতিন চৌধুরী। তিনি বলেছিলেন, বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় পুলিশ ঠাওর করতে না পেরে সাংবাদিকদের ওপর মৃদু কাণ্ড ঘটিয়েছে। নিকট অতীতে অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা সাবেক হওয়ার পর তাদের সঙ্গেও পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। মৃদু কিছু দেওয়া-নেওয়া হয়। তখন তারা হাসপাতালবাসী হন। কান্নাকাটি করেন। মতিন চৌধুরী ছাড়াও টাঙ্গাইলের আবদুল মান্নান, চোখের ডাক্তার এম এ মতিন, থিপ অব বাগদাদ অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান, মাটির তল থেকে সন্ত্রাসী ধরে আনার হুঙ্কারদাতা মোহাম্মদ নাসিম, আল্লাহর মাল আলতাফ চৌধুরী, লুকিং ফর শত্রুজের লুত্ফুজ্জামান বাবরের কথা বেশি দিন আগের নয়। সর্বশেষ আরেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্নের সঙ্গে পুলিশের মৃদু ধাক্কার কথাও মনে পড়ে। বিএনপি নেতা সাবেক হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের সঙ্গে আগেভাগেই পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়ে যাওয়ায় তিনি ভবিষ্যৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হকদার বলে রসঘন আলোচনা রয়েছে।

রাজনীতিকদের পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি পুষিয়ে যায়। ক্ষমতাসীন হয়ে তারা সুদাসলে পুষিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু ক্ষমতাহীন সাংবাদিকদের? এই নিরীহ শ্রেণিটিকে নিয়ে গালমন্দ করা যায় অবাধে। দরকার পড়লে তাদের তলায়, নইলে গলায় ধরা খুব সোজা। কখনো কখনো শুধু মামলা পর্যন্ত নয়। নির্যাতনে প্রাণে মেরে ফেলার ঘটনাও কম নয়। বাস্তব দৃষ্টে সাংবাদিকদেরই এই নিষ্ঠুরতা বুঝে নেওয়ার বিকল্প নেই। কিন্তু নিজের ওজন কমানোর যাবতীয় বন্দোবস্ত নিজেরাই মাঝেমধ্যে করে ফেলছেন সাংবাদিকরা। কেন এই দশা? কেন এমন নিপাতনে সিদ্ধ?—এসব প্রশ্নের নিষ্পত্তি করতে হবে নিজেদেরই। কিছু তস্কর, আতিপাতি গোটা পেশাটার এই দুর্গতির কারণ হয়ে থাকলে এখন শুদ্ধ হতে বাধা কোথায়? মানা করেছে কে?

সাংবাদিক, লেখক, সাংবাদিকদের দলীয়পনা জরুরি নয়। দল বা দলের নেতা-নেত্রীরা কী এই শ্রেণিটির কাছ থেকে এত সার্ভিস চান? এই তো সে দিন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীই সাংবাদিকদের তেলবাজি না করার নসিহত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার স্তূতির প্রতিযোগিতার মধ্যেই তিনি হেদায়েত করেন সাংবাদিকদের। বলে দেন তার বন্দনা না গেয়ে সোজা প্রশ্ন করতে। কে না জানে, বাংলাদেশের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীরা তেল এবং তেলেসমাতিতে কত পাকা? প্রধানমন্ত্রীদের কখনো তেলের ক্রাইসিস হয় না। তেলামাথায় তেল ভূতেও জোগায়। মালিশ-পালিশে ঘাটতি পড়ে না ক্ষমতার শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত। সেই সহানুভূতি-মহানুভূতিতে তিনি সাংবাদিকদের মহিমাকে উজ্জ্বল করারই তাগিদ দিয়েছেন। জাতির বিবেকদের আর তলানিতে নিতে চাননি। বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী দেরিতে হলেও একটি কাজের কাজ করেছেন। হয়তো তিনি ভেবেছেন, সাংবাদিকরা কেন বাঁকা-পথের মর্দনে মর্দন হবেন? কেন হবেন ব্যক্তিত্বহীন-বেশরম? কেন নামবেন আদব-সালাম-কদমবুচির রেসে? হতে পারে অল্পতে বেশি লাভ বা শর্টকাটে বিশাল প্রাপ্তির লোভ সামলানো কঠিন। জায়গামতো তৈলমর্দন বহু সুবিধা এনে দেয়। কিন্তু তা জাতির বিবেক সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিকদের জন্য বেমানান।

এরপরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষণীয় বিভিন্ন ইউনিয়ন, ফেডারেশন দুই বিটের কিছু সাংবাদিক দলীয় কর্মী হয়ে উঠছেন। শ্রুতিকটু, দৃষ্টিকটুভাবে দলসেবায় তারা কেউ খালেদা জিয়ার চেয়েও চড়া বিএনপি। শেখ হাসিনার চেয়েও কড়া আওয়ামী লীগার। এ ভাইরাসে পেশাদার সাংবাদিকদের পক্ষে শিরদাঁড়া ঠিক রেখে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে সাংবাদিক নামের সম্প্রদায়টির মান-মর্যাদা কি ম্লান হচ্ছে না? এ ছাড়া পত্রিকায় কলাম, টিভিতে টকশো, সভা-সেমিনারে ভাষা ও ভঙ্গিতে কিছু লেখক-সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক নিজের ওজন নিজেই তলানিতে নিয়ে যাচ্ছেন। রাজনীতিকদের গালাগাল ও ভাষাকেও কখনো কখনো তারা ডিসকোয়ালিফাই করে ছাড়ছেন।

সাংবাদিকতা, লেখাজোঁখা অত্যন্ত মেধা, শ্রমনির্ভর পেশা। নিত্য চ্যালেঞ্জ জয় করতে হয় অভিজ্ঞতা, বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে। অন্য পেশায় তা এত চোখা নয়। তারা আগে থেকেই জানেন তাদের আজকের কাজের ভলিউম ও প্রাপ্তি সম্পর্কে। সাংবাদিক-লেখকদের তা নয়। প্রতিদিনই তাদের নতুন কাজ। নতুন চ্যালেঞ্জ। গোটা বিশ্বের মতো সাংবাদিকতা বাংলাদেশেও এখন একটি পরিপূর্ণ পেশা। মোটেই শখ মেটানোর ব্যাপার নয়। স্বেচ্ছাশ্রমে খাটার দিনও শেষ। রুটি-রুজি, কর্মসংস্থানের বিশাল ক্ষেত্র। লক্ষ্য-অঙ্গীকার স্পষ্ট। জেনে-বুঝে-শুনে এইম নিয়ে উচ্চশিক্ষা শেষে প্রতি বছর সাংবাদিকতা ছাড়াও গণমাধ্যমে বিভিন্ন পদে অভিষেক ঘটছে শত-হাজার তারুণ্যের। কেবল সংবাদপত্রই এখন তাদের কর্মক্ষেত্র নয়। দুই ডজনের বেশি স্যাটেলাইট টেলিভিশন, বেশ কটি এফএম রেডিও ছাড়াও রয়েছে নতুন নতুন অনলাইন মাধ্যম।

পেটেভাতে, কম, বিনা বা অনিয়মিত বেতনে সাংবাদিকতা শেখার মতো বিষয়-আশয় এখন নেই। সংবাদপত্রসহ গণমাধ্যমে চাকচিক্যের সঙ্গে আভিজাত্যও বেড়েছে। বেতন-ভাতাসহ সুযোগ-সুবিধায় মাত্রা এসেছে। আগের চেয়ে বেশি শিক্ষিত ও প্রযুক্তিজ্ঞান-সম্পন্নরা সম্পৃক্ত হচ্ছে সাংবাদিকতা পেশায়। এরপরও পেশাগত অগ্রগতিতে কেন গতিময়তা আসবে না? কেন সেই হারে বাড়বে না পেশাদারিত্ব, পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দুস্থতার বদলে সুস্থতা? স্বাধীনতার আগে সাংবাদিকতার প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ দেওয়া হতো শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তা-ও ডিপ্লোমা এবং নাইট কোর্স। সেটি এখন আর ডিপ্লোমা বা কোর্স নয়। রাতের ক্লাস এসেছে দিনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের নাম পাল্টে হয়েছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি শিক্ষার্থীদের কাছে রয়েল সাবজেক্ট। প্রতি বছর প্রাইভেট বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সাংবাদিকতা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রচুর শিক্ষার্থী বের হচ্ছে। এরপরও কেন কমতি থাকবে পেশাদারিত্বে? কেন নিরীহের লিস্টে পড়ে থাকা? লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের বাসিন্দা হওয়া? দলকানায় মোসাহেবিতে আন্ধার গলিতে ঘোরাফেরা? দুস্থ-অসুস্থ, অসহায়?

জাতির বিবেক কোনো বিচারেই নিরীহ হতে পারে না। বিবেক নিরীহ হলে জাতি সবল হবে কোন ভরসায়? লেখক, সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মীরা অস্তিত্বের লড়াইয়ে কেন সামনে এগোতে পারছেন না—সেটা নিজেদেরই ভাবতে হবে। এ থেকে বেরোবার পথও ধরতে হবে নিজেদেরই। জানানো, বোঝানোর সঙ্গে দেখানো জরুরি—লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিক্ষকসহ সৃষ্টিশীলরা নিরীহ নন। তারা আইডল। আইকন। নইলে কোন মোহে এখন কোটিপতি-ধনাঢ্যরাও লেখকের খাতায় নাম লেখাতে চান? পাণ্ডুলিপি নিয়ে প্রকাশকদের দুয়ারে যাতায়াত করেন? হয়তো রবীন্দ্র-নজরুল সংগীত লিখতেও মন চায় তাদের। মোদ্দাকথা, ধারা ও ধারণা পাল্টাচ্ছে। এক সময় অনেকের মনোভাব ছিল—সাংবাদিক, লেখক, কবিদের হবে সন্ন্যাসী-শহীদের জীবন। তারা হবেন বৈষয়িকভাবে পেছনের সারির মানুষ। তাদের জীবন হবে বিলাসিতামুক্ত। মাথার উপরে নড়বড়ে ছাউনি। সংসারে থাকবে গঞ্জনা। প্রেম থাকবে না। থাকবে শুধু বিরহ। কাঁধে একটা ঝোলা থাকবে। উষ্কখুষ্ক চুল, দেবদাস টাইপের দাঁড়ি। লেখক-সাংবাদিক মানেই সামাজিকতা থেকে ঝরে পড়া ব্যর্থ এবং নিরীহ মানুষ। ওদের আবার থাকা-খাওয়ার দরকার কী? থাকবে আকাশের নিচে। আর খাবে বাতাস। তারা জানবে না সালমান রুশদি, মার্কেজ কিংবা রবীন্দ্রনাথের বিলাসী জীবনও। সৈয়দ হক কেমন জীবনযাপন করেছেন সেটাও তাদের জানার দরকার নেই। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালনরা সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে কি কম মানুষের জীবিকার ব্যবস্থা করেছেন? এ প্রশ্ন নিয়ে গবেষণা হতে পারে।

লেখক :  সাংবাদিক-কলামিস্ট; বার্তা সম্পাদক, বাংলাভিশন।

Related News

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন

 ৯ জানুয়ারি২০১৮ মঙ্গলবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনএ.কে.অলক মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা উন্নয়ন মেলা ২০১৮ উপলক্ষ্যে জেলা..

Detail

কন্যা সন্তান আশা করেছিলেন সুনিধি চৌহান

 ৫ জানুয়ারি২০১৮ শুক্রবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনঅনলাইন ডেস্কঃ২০১৮ সালের প্রথম দিনেই পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা সু..

Detail

মৌলভীবাজারে ক্ষুদে সাংবাদিক জাইমের জন্মদিন উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরন

 ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনএ.কে.অলক মৌলভীবাজার :  অনলাইন নিউজ পোর্টাল জিবি নিউজ টোয়েন্টিফোর২৪ ডট কমের ক্ষুদে..

Detail

বর্ষসেরার তালিকায় মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদুল্লাহ

 ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনঅনলাইন ডেস্কঃ২০১৭ সালের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ১৪টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দিতে যাচ্ছ..

Detail

মৃত্যু বার্ষিকী সাংবাদিক নৃপেণ বিশ্বাসের ১৪তম মৃত্যু বাষির্কী বৃহস্পতিবার

 ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ বুধবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাবেক..

Detail

অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পেলেন বেগম মুশতারী শফী

 ৩ ডিসেম্বর ২০১৭ রবিবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন    অনলাইন ডেস্কঃবাংলাদেশের সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘অনন্যা সাহি..

Detail

ওসমানী স্মৃতি পরিষদ কুয়েত শাখার আহ্বায়ক কমিটির নাম প্রকাশ

 ২ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন    অনলাইন ডেস্কঃওসমানী স্মৃতি পরিষদ কুয়েত শাখার আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে প..

Detail

দৌলতপুরে সাংবাদিক শাজাহান শামীমের ইন্তেকাল

প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।।  ১৩ মার্চ ২০১৬, রবিবারপ্রবাসী বাংলা প্রতিবেদক:  কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা চামনাই..

Detail

নারীদের কর্মসংস্থানে বিদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান খালেদার

প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।।  ৯ মার্চ ২০১৬, বুধবারবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, প্রাইভেট খাতে বেশি বেশি করে নারীদের ন..

Detail

নতুন দল গড়বেন জিয়ার ভাই

প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।।  ৫ মার্চ ২০১৬, শনিবারনতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহম..

Detail

সাংবাদিকদের আদালতে থাকতে দেয়া হয়নি

প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।।১ মার্চ ২০১৬, মঙ্গলবারবাদীর সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের মামলার বিচারকাজ আ..

Detail

হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে সাংবাদিকদের

 প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, বুধবারক্ষমতাসীনরা হামলা-মামলাসহ নানামুখী ভয়ভীতি দেখিয়ে সংবাদ মাধ্..

Detail