প্রশ্নের জবাব দিয়ে ধরে রাখুন জনসমর্থন

 ৩ জুন ২০১৮ রবিবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুন

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.) বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো মাদক নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণ। মাদকের ব্যাধি থেকে মানুষকে, সমাজকে, রাষ্ট্রকে মুক্ত করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা সঠিক পরিকল্পনা করে অভিযান পরিচালনা করবেন এটাই প্রত্যাশা। এজন্য পদ্ধতি বা পন্থা ঠিক করার অধিকার তাদের আছে। তবে অবশ্যই সেটা হতে হবে রাষ্ট্রের বিধি ও আইনসম্মত। তিনি বলেন, এই অভিযান নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, স্বচ্ছতার স্বার্থে অভিযান পরিচালনাকারীদের অবশ্যই প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে হবে। গতকাল এসব কথা বলেন সাবেক এই ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা।

মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.) বলেন, যে অভিযান চলছে তা বাংলাদেশের মাদক নির্মূলে অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ কারণে এর প্রতি জনসমর্থনও আছে। এই জনসমর্থন ধরে রাখতে অবশ্যই কক্সবাজারের নিহত কাউন্সিলর একরামুল হকের বিষয়ে ওঠা প্রশ্নের সঠিক জবাব জাতিকে জানাতে হবে। তিনি বলেন, এই অভিযান প্রশংসিত। অভিযান চালাতেই হবে। মাদক বা মাদক কারবারিদের প্রতি কোনো ধরনের দয়ামায়া দেখানোর সুযোগ নেই। তবে দেখতে হবে, নিরপরাধ মানুষ যেন শাস্তি না পায়। অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না।

তিনি বলেন, অভিযান আরও সফল করার জন্য গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তাহলে যারা আসল মাদক কারবারি তারা পালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ পাবে না। নিরপরাধ মানুষ শাস্তির আওতায় আসবে না। তিনি বলেন, এটা শুধু অভিযান পরিচালনাকারীদের কাজ নয়। এ ক্ষেত্রে অংশ নিতে হবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে। অভিযান সফল করতে যার যার অবস্থান থেকে তথ্য, পরামর্শ দিতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোকে।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন ধরনের গবেষণাকর্মের সঙ্গে জড়িত সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, মাদক নির্মূলে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে কমিটি গঠন করতে হবে। এসব কমিটি রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে সব ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। জনগণকে সম্পৃক্ত না করলে অভিযানের সফলতা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আসবে না। দ্বিতীয়ত অভিযানের বিষয়ে জনসমর্থন ধরে রাখতে আরেকটি বিষয়কেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তা হলো, সাধারণ মানুষের ধারণা এখনো মূল গডফাদাররা অভিযানের আওতায় আসেনি। সুতরাং তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তৃতীয়ত মাদকের অপরাধে বিচার প্রক্রিয়ায় নানান দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে বা আইনের দুর্বলতার সুযোগে আসামিরা বের হয়ে আসছে। এটা বন্ধ করা প্রয়োজন। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির বিধান ও তা নিশ্চিত করাটা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাহলে এই অভিযানের পুরোপুরি জনসমর্থন থাকবে।

Related News

লেনদেনের প্রশ্নে নাগরিক সমাজের অনেকেই বিক্রি হয়ে গেছেন'

 ২১ জুলাই ২০১৮ শনিবার   ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনঅনলাইন ডেস্কসুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘নাগরিক স..

Detail

মাদক আসছে প্রতিবেশী দেশ থেকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 ১২ মে ২০১৮ শনিবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনঅনলাইন ডেস্কঃমাদক নির্মূলে মাদক চোরাচালানের মূল হোতাদের তালিকা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ..

Detail

চরফ্যাশনে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

 ৯ মে ২০১৮ বুধবার  ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনঅনলাইন ডেস্কঃপরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বুধবার ভোলার চরফ্যাশনে শেখ..

Detail

মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে রুখে দাঁড়াতে হবে -হুইপ গিনি

 ২৭ মার্চ ২০১৮ মঙ্গরবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনগাইবান্ধা প্রতিনিধিঃজাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি বলেছেন, শিক্ষার্থ..

Detail

খেলাধুলা তরুণ ও যুব সমাজকে সুপথে পরিচালিত -- - আছাদুর রহমান দুলু

 ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ শুক্রবার ভিডিওসহ দেখতে ক্লিক করুনশাহ্আলম, স্টাফ রিপোর্টার:বগুড়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ..

Detail