প্রিয়তির জীবনী কোটি টাকা!

প্রবাসী বাংলা Live  টিভি ।।  ২৯ মার্চ ২০১৬, মঙ্গলবার

প্রিয়তিবিচারকদের নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন জ্যামাইকায় অনুষ্ঠিত মিজ আর্থ প্রতিযোগিতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে। বিচারকেরা তাঁর কাছ থেকে জেনেছিলেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া মেয়েটি কী করে বিশ্বসেরা সুন্দরীদের প্রতিযোগিতায় চলে এলেন। তাঁর বেড়ে ওঠা, জীবনযুদ্ধ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশংসার বন্যায় ভেসেছিলেন সেবার। হয়েছিলেন মিজ আর্থের প্রথম রানারআপ। কিন্তু বিচারকদের করা সেসব প্রশ্নই যে তাঁর জন্য বড় এক ‘সুখবর’ বয়ে আনবে, তা কে জানত?
গতকাল সোমবার সকালে আয়ারল্যান্ড থেকে ফেসবুকে সুখবরটি জানালেন মাকসুদা আকতার। যাঁকে সবাই প্রিয়তি নামেই বেশি চেনেন। কথার শুরুতেই জানিয়ে রাখলেন মিজ আর্থ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ব্যক্তিগত সব প্রশ্নবাণে জর্জরিত হওয়ার গল্প। তারপর চলে এলেন সুখবরটির প্রসঙ্গে।
বেশ কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের এইচএমএল ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় প্রিয়তির সঙ্গে। জানানো হয় প্রিয়তির জীবনী প্রকাশ করবে এই ম্যাগাজিন। প্রিয়তির অনুমতি ও সময় মেলায় ম্যাগাজিনের চারজন প্রতিনিধি আয়ারল্যান্ড এসে টানা সাত দিন প্রিয়তির কাছ থেকে জেনেছেন তাঁর জীবনের যাবতীয় সব তথ্য ও ঘটনা। সঙ্গে ছিল ছবি তোলার আয়োজনও।
প্রিয়তি বলেন, ‘এমন ঘটনার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। তাঁদের কাছে আমার জীবনের যাবতীয় ঘটনা বলতে হয়েছে। তাঁরা সেসব রেকর্ড করে নিয়েছেন। এর জন্য আমি এক লাখ ইউরো পেয়েছি। বাংলাদেশি প্রায় এক কোটি টাকা! তবে সবার আগে আমাদের মাঝে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী তিন বছর আমার জীবনের কোনো ঘটনা কোথাও শেয়ার করতে পারব না।’
তাঁকে কেন বেছে নেওয়া হলো? এর কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই মডেল। বিশ্বতারকা ও সুন্দরীদের জীবনী প্রকাশ করে এই ম্যাগাজিন। এরই অংশ এটি। অবশ্য মিজ আর্থ প্রতিযোগিতা থেকে ফেরার পর থেকেই তাঁর সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছে এইচএমএল।
প্রিয়তি ১৪ বছর হলো আয়ারল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিক। ২০১৪ সালে তিনি মিজ আয়ারল্যান্ড হয়েছিলেন। এরপর দেশটির দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। নিয়মিত মডেলিং করার পাশাপাশি তিনি সামাজিক নানা ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশের নানা ধরনের সামাজিক সংগঠনের হয়েও কাজ করেন তিনি।