অর্ধশত ওজন কমিয়ে বডিবিল্ডার বাংলাদেশী ব্যান্ডশিল্পী

একবারে অলস ছিলেন রুবেল। যার জীবন মানে ছিল খাওয়া আর ঘুম। তারুণ্যে পা দেয়ার আগে তার ওজন গিয়ে দাঁড়ায় ১২৩ কেজিতে। লোকে নানা কটু কথা বলতো, শরীরেও বাসা বাধে নানা রোগব্যাধী। তাই একসময় ওজন কমানের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। মাত্র ১ বছরে ৫৬ কেজি ওজন কমিয়ে রীতিমত সাড়া ফেলে দেন দেশের সংগীতাঙ্গনে। একসময়ের ১২৩ কেজি ওজনের রুবেল এখন বডিবিল্ডার, কাজ করেন মডেল হিসেবেও।

দেশের ব্যান্ডসংগীত জগতে পরিচিত মুখ রুবেল হেভি মেটাল ব্যান্ডদল ‘মেটাল মেইজ’ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া তিনি ‘তাহসান এন্ড দ্যা সুফিস’ দলেরও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। পপ তারকা আজম খানের সঙ্গেও কাজ করেছন তিনি।

আলোচিত এই শিল্পী এই একসময় শরীরে অতিরিক্ত মেদের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে এরপর নিজের চেষ্টায় ওজন কমিয়ে গড়ে তোলেন নতুন জীবন। সাক্ষাতকারে এসব কথাই জানান রুবেল।

রুবেল বলেন, ‘একসময় আমার জীবনে কাজ ছিল দুটি খাওয়া আর ঘুম। হাটাচলা, খেলাধুলা একবারেই করা হতোনা। স্কুল-কলেজে সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করত। অল্প বয়সে নানা রোগব্যাধী বাসা বাধে শরীরে জীবনটা একসময় দুর্বিসহ লাগা শুরু করলো। তাই ঠিক করলাম এভবে আর চলেনা আমি নিজেই নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি। ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।’
প্রথমে অফিস থেকে বাসায় হেটে যাওয়া শুরু করলাম। এরপর শুরু করলাম সাইক্লিং। প্রতিদিন ২০ মিনিট হাটা ও ৩০ মিনিট সাইক্লিং মোটামুটি মিশন শুরু।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপর ওই সময় বাংলাদেশে একটি ইন্টারন্যাশনাল চেইন গোল্ড জিম চালু হয় ভর্তি হলাম সেখানে। মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে অনলামে ওজন। এরপর জিমটি বিজ্ঞাপনের জন্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর খুঁজছিল মোটা থেকে চিকন হয়েছে এমন। ঠিক করলাম আমিই হব সেই এরপর আরো ১৮ কেজি ওজন কমালাম। সবমিলিয়ে মোট ৫৬ কেজি ওজন কমিয়ে আমিই হলাম গোল্ড জিমের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।’

শেষে রুবেল বলেন,‘ মানুষ চাইলে সবই পারে, শুধু ইচ্ছা থাকাটাই যথেষ্ঠ।

আরও পড়ুন