আবারও পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৫০ টাকা

গত সপ্তাহে নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেঁয়াজের দাম ছিলো ১৪০-১৫০ টাকা কিন্তু সপ্তাহের ব্যবধানে তা আবার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ২১০-২৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজের আমদানি থাকলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি কম হওয়াতেই বেড়েছে দাম।

রোবাবর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি বাজারেই শুধু দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ এবং দেশীয় নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে এখনো ওঠেনি। এতে দাম বেশি হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের দেশি পেঁয়াজের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। আর এই সুযোগে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

পেঁয়াজ কিনতে আসা আরমান বলেন, গত সপ্তাহে ১৪০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছিলাম। কিন্তু বাজারে এসে দেখি ২৫০ টাকায় প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। পাতা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা দরে।

সৈয়দপুর রেল বাজারের ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম অর্ধেকে নেমেছিল। উপজেলায় নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে না ওঠায় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা পেঁয়াজ কিনে বিক্রি করি। তাই বেশি দামে কিনে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম গোলাম কিবরিয়া বলেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে অভিযান চালানো হবে।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশে চলমান পেঁয়াজের সঙ্কট ও উচ্চমূল্য রোধে তুরষ্ক থেকে আকাশ ও সমুদ্রপথে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ২ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজের প্রথম চালান ইতিমধ্যে তার্কিশ এয়ারলাইন্সে গত শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকালে ঢাকায় পৌঁছায়। পরে তা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্বিতীয় চালান আকাশ পথে দেশে পৌঁছাবে সোমবার (২৫ নভেম্বর)।

এছাড়া তুরষ্ক থেকে সমুদ্র পথে ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজের একটি চালান ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুর হয়ে দেশের পথে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, অতি অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দরে পৌঁছাবে বলে জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন