আরামবাগ-দিলকুশা ক্লাব থেকে পালিয়ে গেল সবাই

রাজধানী মতিঝিলের আরামবাগ, দিলকুশা, মোহামেডান ও ভিক্টোরিয়া ক্লাবে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এডিসি শিবলি নোমান। অভিযানরত অবস্থায় তিনি গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একসঙ্গে চার ক্লাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। তার নেতৃত্বে আরামবাগ ও দিলকুশা ক্লাবে অভিযান চলছে। অভিযানের খবর শুনে সবাই পালিয়ে যায়। দিলকুশায়ও কাউকে পাওয়া যায়নি। এসব জুয়া-ক্যাসিনোতে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযানের চারটি ক্লাবের মধ্যে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ পাশাপাশি অবস্থিত। এখানে অভিযান চালাচ্ছে মতিঝিল ও পল্টন থানা পুলিশ। অভিযানে এই দুটি ক্লাব থেকেই ক্যাসিনো ও জুয়ার বিপুল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে র‍্যাবের হাতে আটক হন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। অস্ত্র ও মাদকের পৃথক দুই মামলায় তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সম্প্রতি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতার বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপরই ছাত্রলীগের পদ হারান শোভন-রাব্বানী। এরপর আটক হন খালেদ। শুক্রবার যুবলীগের অপর আলোচিত নেতা জি কে শামীমকে নিকেতনের নিজ কার্যালয় থেকে আটক করা হয়।

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে আটক করে র‍্যাব। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে জি কে শামীমের নিকেতনের ডি ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসা ঘিরে ফেলে র‍্যাব। এর আগে নিকেতন এলাকায় জি কে শামীমের আরেকটি বাসা থেকে তাকে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে আটক করেই অভিযান চালায় র‍্যাব। অভিযান শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে শামীমকে র‍্যাব কার্যালয়ে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন