কাশ্মীর সীমান্তে ১শ’ গেরিলা যোদ্ধা প্রস্তুত পাকিস্তান

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার জন্য ১শ’ জনেরও বেশি সশস্ত্র গেরিলা যোদ্ধাকে প্রস্তুত করে রেখেছে পাকিস্তান। আফগান ও পশতুন যোদ্ধাদের শতাধিক সদস্য নিয়ন্ত্রণ রেখার বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) গোয়েন্দাদের বরাতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দিয়ে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য দিয়েছে ইকোনমিক টাইমস, এনডিটিভি।

 

 

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তারা যে কোনো সময় কাশ্মীরে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালাতে পারে। চলতি মাসের ১৯ ও ২০ তারিখে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ভাওয়ালপুরে জঙ্গি গোষ্ঠী জয়েশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) পরপর দুই গোপন বৈঠকে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এদিকে ওই হামলার পরিকল্পনা বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন জেইএম প্রদান মাসুদ আজহারের ভাই মুফতি রাউফ আজগর। বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে, মুফতি রাউফ নিজেই কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা পরিচালনা করবেন।

সূত্রে আরও জানা গেছে, জয়েশ-ই-মোহাম্মদ সীমান্তে হামলার জন্য আফগান ও পাঠান জঙ্গিদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ প্রশিক্ষিত একটি দলকে মোতায়েন করেছে বলে গোয়েন্দারা তথ্য দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগ হয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত একটি দল। গোয়েন্দারা আরও জানান, নিয়ন্ত্রণ রেখায় সহিংসতা অব্যাহত রেখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান।

চাঞ্চল্যকর তথ্যের বিষয়ে গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, ‘জঙ্গিরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে কাশ্মীরে বড় ধরনের হামলা চালাবে। শুধু উপত্যকাতেই নয়, দিল্লিসহ ভারতের অন্য বড় শহরগুলোতেও নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে।’

গোয়েন্দাদের দাবি, ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুতে ৬ জন লস্কর-ই-তৈয়বা জঙ্গি ঢুকে পড়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে ই খবর পাওয়ার পর চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে রাজ্যে। বৃহস্পতিবার মাঝরাত থেকে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, টিয়ার গ্যাস ও পেলেট গানে আহত ১৫০ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে : কাশ্মীরের প্রধান দুটি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্র সরকার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে তারা এখন পর্যন্ত টিয়ার গ্যাসে আহত পেলেটবিদ্ধ কমপক্ষে ১৫২ রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করেছে আলজাজিরা ও রয়টার্স।

আরও পড়ুন