কোথায় গিয়ে থামবে এ অভিযান?

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতার পদ হারানোর মধ্য দিয়েই বুঝা যাচ্ছিল বেশ বড়সড় অভিযান শুরু হবে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তারই ধারাবাহিকতায় চলমান অভিযানে ধরা পড়েন কেন্দ্রীয় যুবলীগের একাধিক নেতা। যারা বেশিরভাগই ক্যাসিনো ও ক্ষমতার জোরে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রকল্প বাগিয়ে নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আওয়ামীলিগের দুই নেতার আস্তান থেকে কোটি কোটি টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। এখন কথা হচ্ছে কোথায় গিয়ে থামবে এই অভিযান?

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে যানা যায়, আওয়ামী লীগ চলতি মেয়াদে ক্ষমতায় আসার আগেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাবে- এমন ঘোষণা দেয়। তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এখন মাঠে যেটা হচ্ছে, তা সরকারের ওই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ‘যুবলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কী প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়ার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, এ ধরনের অভিযানের কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। যদিও বিএনপি বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে।’

এ ছাড়া গতকাল ( ২৪ সেপ্টেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ক্যাসিনোর সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশ কিছু আওয়ামী লীগ নেতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুতরাং, এ কথা বলাই যায় যে, দেশে দুর্নীতি অনিয়ম শুরু হয়েছিল তা নিয়ন্ত্রণে আসার আগ পর্যন্ত চলবে এ অভিযান।

আরও পড়ুন