কোন পথে দেশের ক্রিকেট

বিশ্বকাপ থেকেই আসা যাক নিজেদের সেরা স্কোয়াড নিয়েও ১০ দলের মধ্যে বাংলাদেশ হয়েছে অষ্টম। বিশ্বকাপের ব্যর্থতা চোখে পড়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজেও। লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পায় বাংলাদেশ। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যখন ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না। তখন জাতীয় দলের পাইপলাইন অর্থাৎ বয়স ভিত্তিক দলও ব্যর্থ।

ভারতের জুনিয়র রঞ্জি ট্রফিতে বিসিবি একাদশ সেমিফাইনাল খেললেও লঙ্গার ভার্সনের ওই টুর্নামেন্টে মাত্র এক ম্যাচ জিতেছিল বিসিবি একাদশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ হারা বাংলাদেশ ‘এ’ দল ঘরের মাঠে কোন মতে সিরিজটা ড্র করেছে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারতের কাছে একাধিকবার হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। ব্যর্থতার সেইরেস টিকে আছে চট্টগ্রামের চলমান ইমার্জি কাপেও। শ্রীলঙ্কার কাছে প্রথম ম্যাচে হারের ব্যবধানটা লজ্জা বাড়িয়েছে। কদিন আগেও উড়তে থাকা লাল সবুজের ক্রিকেটের কেন এমন হাল।

এ ব্যাপারব সারোয়ার ইমরান বলেন, আমাদের সিস্টেম টা ঠিক করতে হবে, আমাদের লোকাল ক্রিকেট ঠিক করতে হবে। প্রোসেস গুলো ঠিক করতে হবে। লোকাল কোচিং স্টাফ ঠিক করতে হবে। এইজ গ্রুপের সবকিছুও ঠিক করতে হবে।

তাই যদি হয়, তাহলে সিস্টেমটা কারা দেখছেন। ক্রিকেট অপারেশন চেয়ারম্যান হিসেবে জাতীয় দলের মূল দায়িত্বটা আকরাম খানের। আর এইচপির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়। একাদারে যিনি একজন সংসদ বটে। তবে কি নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকায় টিকিটের ব্যাপারে উদাসীন এই কর্তা? অথচ তার হাতেই আগামী ক্রিকেটার উঠে আসার কথা।

বেখেয়ালি এক বোর্ড কর্তার কাজের দৃশ্য নজরে এসেছে। সিরিজের আগে পরিকল্পনা সিরিজ শেষে জবাবদিহিতা কিংবা মাঝপথে সঠিক সিদ্ধান্ত। কোথাও কি দেখাতে পারছেন নিজের মুনশিয়ানা। বরং খেলা চলাকালে পরিবার নিয়ে ঘনঘন বিদেশ সফরে দেখা যায় এই বোর্ড কর্তাকে।

জাতীয় দলের বাইরে পাইপলাইন হিসেবে অন্তত ৪টি দলের খেলা চলে। মিলে ঝিলে এখানে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন ক্রিকেটার খেলেছে তাইতো কালের প্রশ্ন এখানে নেই কোন প্রতিভাবান ক্রিকেটার নাকি ধুলো জমেছে কর্তাদের জহুরির চোখে।

আরও পড়ুন