খালেদা সম্পর্কে কূটনীতিকদের অবহিত করল ঐক্যফ্রন্ট

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার সর্বশেষ অবস্থা ও তার মুক্তির প্রক্রিয়া, রোহিঙ্গা ইস্যুর পাশাপাশি আসামের নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার আশঙ্কাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের গুলশানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে অংশ নেন- জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের আহ্বায়ক গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমদু চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ অন্য নেতারা।
কূটনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্টের রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলার, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত, কানাডার উপ-রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডসসহ অন্তত দশটি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা।

বৈঠক সম্পর্কে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এটা রুটিন বৈঠক। বৈঠকটি মূলত ব্রিটিশ হাই কমিশনের ডিজায়ার ছিল। তাদের একজন কূটনীতিক চলে যাচ্ছেন। নতুন আরেকজন এসেছেন। তারা নিয়মিত এ ধরনের বৈঠক করেন। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস পর আজকের এ বৈঠকটি হল। মূলত এ বৈঠকটি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে তারা করেছে।

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে মান্না জানান, বৈঠকে কোনও গোপন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। মূলত তারাই বাংলাদেশের পার্লামেন্টালি গণতন্ত্রকে আরও কিভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। আমাদের পক্ষ থেকে বলেছি চলমান পার্লামেন্টেরই তো কোনও বৈধতা নেই। আমরা এটাকে বৈধ বলেই মানি না। তাই এটাকে শক্তিশালী করার প্রশ্ন কোত্থেকে আসে?

তিনি জানান, এরপর টুকটাক কথা হয়েছে। কিছুটা চা চক্র ও খাওয়া-দাওয়া হয়েছে। এরপর বৈঠক শেষ হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা ইস্যু, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দীত্ব প্রসঙ্গসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন