গলা কেটে মৃত ভেবে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা, হাসপাতালে মৃত্যু

কিশোরগঞ্জে গলা কেটে এক নারীকে (৪০) হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে গলা কাটা অবস্থায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে গ্রামবাসী। পরে হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে জবাই করে মৃত ভেবে ওই খানে ফেলে রেখে যায়। সোমবার শেষ রাতের কোনো একসময় ওই নারীকে সেখানে নিয়ে জবাই করা হয় বলে পুলিশের ধারণা। এলাকাবাসী জানায়, উত্তর লতিবাবাদ লক্ষ্মীপুর গ্রামের মালেক ভূইয়ার বাড়ির পেছনে একটি বাঁশঝাড়ের নিচে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে ছিলেন ওই নারী।

মুমূর্ষু ওই নারী সকালের দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দেখে ইশারায় তাকে বাঁচানোর আকুতি জানান। গলা কাটা থাকায় তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তাকে খাতা ও কলম এনে দিলে সেখানে কিছু একটা লেখার চেষ্টা করেও পরেননি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। ওই নারীকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছিল। তবে সেখানে পাঠানোর আগেই তিনি মারা যান।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারীর কোনো পরিচয় না পাওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহ দাফন করা হয়। হত্যায় জড়িতদের বের করতে পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই তদন্তে নেমেছে। এ ব্যাপারে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

আরও পড়ুন