চন্দ্রযান-২ নিয়ে যা বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

সাফল্য নাকি ব্যর্থতা, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এসব হিসেব-নিকেশ চলছে দেশ জুড়ে। ভারতবাসী বোধহয় এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না যে চন্দ্রযানের ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ইসরোর তরফে এই ঘোষণা স্পষ্ট করা হয়েছে। বারবার প্রধানমন্ত্রী বলছেন, ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। তবু বিজ্ঞানীদের চোখে জল। ইসরোর বিজ্ঞানীদের এবার বার্তা দিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।

শেষ মুহূর্তে চাঁদের মাটি ছুঁতে না পারলেও ইসরোর পাশে থাকার বার্তা এল আন্তর্জাতিক দুনিয়া থেকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইসরোর বিজ্ঞানীরা একদিন চাঁদে পাৌঁছনোর স্বপ্ন সফল করবেনই বলে আশা প্রকাশ করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। শনিবারই এই বার্তা দিয়েছেন তিনি।

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান নামাতে না পারলেও ভারত ও তার বিজ্ঞানীদের নিয়ে ভুটানও গর্বিত বলে ট্যুইট করেন শেরিং। শেষ মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ বিক্রম ল্যান্ডার নিতে ব্যর্থ হলেও যে কাজ ইসরো করেছে তা ঐতিহাসিক বলে ট্যুইট-বার্তায় মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি চেনেন, তাই এই স্বপ্ন যে সফল হবে সেই বিশ্বাস তাঁর আছে।

ইসরোর এক আধিকারিক জানিয়েছে, ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ না করা গেলেও আগামী এক বছর ধরে অরবিটার চাঁদের বিভিন্ন ছবি তুলে পাঠাবে ইসরো-কে। এমনকি ল্যান্ডার বিক্রম কোথায় রয়েছে সেই ছবিও পাঠাতে পারে ওই অরবিটার। তবে ল্যান্ডার মধ্যে থাকা রোভারের আয়ু মাত্র ১৪ দিন বলে জানা গিয়েছে।

যেভাবে জিএসএকভি মার্ক ৩-তে চন্দ্রযান মহাকাশে পৌঁছেছে ও চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে প্রবেশ করেছে, তা ভারতের মহাকাশ গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সাফল্যকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেন একটি চলন্ত ট্রেন থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের অন্য একটি চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে বুলেট ছোঁড়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

এছাড়া এত কম খরচে চন্দ্র অভিযান করার রেকর্ড তো থাকলই ভারতের হাতে। মাত্র ১৪০ মিলিয়ন ডলার খরচেই সম্পূর্ণ হয়েছে পুরো অভিযান। আমেরিকা অ্যাপোলো মিশনে খরচ করেছিল ১০০ বিলিয়ন ডলার। হিসেব কষে দেখা হয়েছিল, ভারতের এই অভিযানের খরচ হলিউডি ছবির থেকেই কম।

আরও পড়ুন