চাঁদপুরে ধরা পড়ল বিষধর সাপ ‘রাসেল ভাইপার

চাঁদপুর শহরে ‘রাসেল ভাইপার’ নামে একটি বিষধর সাপ শহরের কোড়ালিয়া এলাকার একটি বাড়ির উঠানে ধরা পড়ে। বিষধর এই সাপটি নিয়ে ব্যাপক হইচই পড়েছে চাঁদপুরে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে সাপ নিয়ে গবেষণা করে এমন একদল গবেষক মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সাপটি তাদের হেফাজতে নিয়ে নেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথমে একদল যুবক সোমবার বিষধর এই সাপটি কৌশলে আটক করে। এই বিষয় এলাকার কলেজছাত্র অপু পাটোয়ারী সাপটি রক্ষায় প্রশাসনসহ বিভিন্নজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এক পর্যায়ে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে বিষধর সাপ ও তার বিষ নিয়ে গবেষণা করেন- এমন একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে চাঁদপুরে নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে মিজানুর রহমান ও মো. নামে এই দুই গবেষক চাঁদপুরে এসে রাসেল ভাইপার নামে বিষধর সাপটি তাদের হেফাজতে নিয়ে যান।

গবেষক মিজানুর রহমান বলেন, বিরল প্রজাতির রাসেল ভাইপার নামে বিষধর এই সাপ ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম ধরা পড়ে। এছাড়া ২০০৩ সালে এর দংশনে এক যুবকও মারা যায়। তারপর থেকেই এই সাপ নিয়ে ব্যাপক হইচই পড়ে।

মিজানুর রহমানের সহযোগী মো. নোমান জানান, অনেকটা অজগর সাপের মতো দেখা গেলেও এটি বেশ বিষধর। আকারে ৬-৮ ফুট লম্বা হয়ে থাকে। তবে জল এবং স্থলভাগে এর বিচরণ।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এই গবেষকরা আরো জানান, তাদের কাছে বিরল প্রজাতির আরো কিছু সাপ রয়েছে। যেগুলো নিয়ে গবেষণা চলছে। একই সঙ্গে এসব সাপের বিষ মানব কল্যাণে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়েও গবেষণা করা হচ্ছে।

এদিকে চাঁদপুরে এমন সাপের অস্তিত্ব না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের বানের পানিতে ভেসে মেঘনাপাড়ে পৌঁছে গেছে রাসেল ভাইপার নামে বিষধর এই সাপ।

অন্যদিকে সাপটি ধরার পর গত দুই দিন ধরে চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া এলাকার ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক জনতার ভিড় দেখা যায়।

আরও পড়ুন