চীন প্রশ্নে মুখে কুলুপ ফিলিপাইন প্রেসিডেন্টের! বশ্যতা পরিহারের আহ্বান

২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা এবং বহুক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। এদিকে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নতুন উত্তেজনার মধ্যে বেইজিংয়ের অধীনে থাকার নীতি তিনি যেন পরিহার করেন প্রেসিডেন্ট দুতার্তে এ আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আইনপ্রণেতা এবং পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত দ্বীপের কাছে টহল দিয়ে যাচ্ছে চীনা উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ। এনিয়ে কার্যত চুপ থাকার অভিযোগ রয়েছে রদ্রিগো দুতার্তের বিরুদ্ধে। এমনকি চীনা জাহাজগুলো দক্ষিণ চীন সাগরে ম্যানিলার এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড) থেকে সরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর সময় কার্যত চুপ ছিলেন তিনি।

ফিলিপাইনের শীর্ষ কূটনীতিকসহ সে দেশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং প্রতিরক্ষা প্রধান সরাসরি প্রকাশ্যে চীনের বিরোধিতা করেছেন। তবে সেই সময় মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

 

গত বৃহস্পতিবার রাতে কথা বলার সময়ও দক্ষিণ চীন সাগর একবারও মুখে আনেননি দুতার্তে। তার মুখপাত্র এর আগে শুধু জানিয়েছেন, কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট।

ফিলিপাইনের উপকূলরক্ষী বাহিনী জানায়, বারবার আপত্তির পর চীনের কিছু জাহাজ চলে গেছে। তবে আরো ২৪০টি জাহাজ সেখানে রয়েছে।

এ নিয়ে ফিলিপাইনের বিরোধীদলীয় সিনেটর লেইলা দে লিমা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি দুতার্তে এবং সামরিক বাহিনী চীনকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তবে ফিলিপাইন চীনের ‘উপগ্রহগুলির’ একটিতে পরিণত হতে পারে।

 

আরও পড়ুন