ছাত্রলীগকে ডিফেন্ড করার জন্য আসিনি

ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা সমালোচনা হচ্ছিল। বিতর্কিত ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেন, সম্মেলনের পরও একাধিক শাখায় কমিটি না দেওয়া, দুপুরের আগে ঘুম থেকে না ওঠা, গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে চলা কিংবা ফোন না ধরা, সংগঠনের একাধিক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েও নির্ধারিত সময়ের অনেক পর উপস্থিত হওয়া অথবা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এগুলো নিশ্চয়ই ভালো কাজ নয়। অন্যায় করলে তাদের (ছা্ত্রলীগ) ডিফেন্ড করবো এমন কর্মী আমি নই। তবে আমি মনে করি, যারা এসব কাজ করেছে, ওরা বয়সে অনেক ছোট। সে জন্য হয়তো ভুল করেছে। আমি শুনেছি এজন্য তারা ইতোমধ্যে ক্ষমাও চেয়েছে। আশা করি সবাই ওদের ক্ষমাও করে দিবে।

রোববার রাতে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশোতে টেলিসংযোগের মাধ্যমে উপস্থাপকের ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দলের যেমন প্রধান, তেমনি ছাত্রলীগের অভিভাবকের দায়িত্বেও সাংবিধানিক ভাবে তিনি। নেত্রী যখন মনে করবেন ছাত্রলীগের কমিটি ভাঙ্গা-গড়ার প্রয়োজন, ঠিক তখনি তা করবেন। এখানে আমাদের কিছু বলার বা করার নেই। তবে আমি নিজে ঐ সভায় ছিলাম, নেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, যেহেতু নেত্রী ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর ঐভাবে কখনও কোন কমিটি গঠনে কোন ভূমিকা রাখেননি। এবার সরাসরি নেত্রী নেতৃত্ব ঠিক করেছেন, এখানে যদি ভুল পেয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই রাগ হওয়া দোষের কিছু নয়? সে জন্য হয়তো নেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তবে কমিটি ভেঙে দেয়ার মত কোনো নির্দেশনা দেননি।

আরও পড়ুন