জিয়াই ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতি যেন কারো পেশা না হয়ে দাড়ায়। রাজনীতি হচ্ছে ব্রত, পেশা ভাবলে বঙ্গবন্ধু বা আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁতী লীগ আয়োজিত ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তাঁতী লীগসহ সবার উদ্দেশ্য দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তোমরা বেকার থেকে রাজনীতি করলে মানুষ বলবে নিশ্চয়ই চাঁদাবাজি করতে রাজনীতিতে এসেছ। তাই নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করো আর জনগণের সেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতি করো। রাজনীতি কোনো পেশা না, জনসেবা একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা রাজনীতির ব্যবসা করে তাদের প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুর দলে কোন অপরাধীর স্থান নেই।

তিনি বলেন, জাতির কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে ১৫ আগস্ট। এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ কারীরা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার বহু চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইতিহাসের নায়কদের কখনও মুছে ফেলা যায় না। যার প্রমাণ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অনেকে হয়তো বুঝতে পারে না বঙ্গবন্ধুর খুনি কারা। তবে সত্য হলো জিয়াউর রহমানই ১৫ আগস্টে হত্যার মাস্টার মাইন্ড। আর তার গুণধর পুত্র তারেক রহমান ২১ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড। যারা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে এদেশে পাকিস্তানের ভাবপূর্ণ সরকার পরিচালিত করবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই- এমন স্বপ্ন আষাঢ়ে বালি। একদিন জনতার আদালতে এদের বিচার হবে।

তিনি আরও বলেন, যতোদিন সূর্য উঠবে ততোদিন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু চির উজ্জ্বল হয়ে জ্বলবে। দেখবেন যারা ঘাতক, পৃথিবীর ইতিহাসে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। মীর জাফর, রায় দুর্লভ, জিয়াউর রহমানসহ কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি।

কাদের বলেন, বিশ্বের তিনজন সৎ নেতার একজন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর তার কোনো সম্পদ ছিল না। এটাই তাদের সততা। রাজনীতিতে সততার কোন বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন