ট্রাম্পের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করলেন এরদোগান

মিসরের সামরিক অভ্যুত্থানের হোতা স্বৈরশাসক আবদুল ফাতাহ সিসি উপস্থিত থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যাহ্ন ভোজের দাওয়াত ফিরিয়ে দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। নিউ ইয়র্কের জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

জাতিসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে সমবেত হয়েছেন বিশ্ব নেতারা। মঙ্গলবার দুপুরে অধিবেশনের ফাকে রাষ্ট্রনেতারা মধ্যাহ্ন ভোজে যান। এসময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একই টেবিলে মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণ ছিল জাতিসঙ্ঘর মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মরকেলসহ বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতার। সেই তালিকায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসিও ছিলেন। কিন্তু একই টেবিলে বসে স্বৈরশাসক সিসির সঙ্গে খেতে হবে বিধায় ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যখ্যান করে দেন এরদোগান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই মিসরের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রপন্থীদের ওপর দমন নিপীড়নের প্রতিবাদ করে আসছেন। এর আগে তিনি জাতিসঙ্ঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসির মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করতে।

এরদোগান আরও বলেছিলেন, ‘সিসি একজন অত্যাচারী, কোন গণতান্ত্রিক শাসক নয়। আমি আশাকরি জাতিসঙ্ঘ যেমন জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে তুরস্কের শক্ত অবস্থানকে সঠিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে একইভাবে তারা মুরসির রহস্যজনক মৃত্যুর বিষয়েও শক্ত অবস্থান নেবে। খাশোগির মৃত্যুর ঘটনাকে যেভাবে আমরা ছেড়ে দেইনি, তেমনিভাবে মুরসির মৃত্যুর ঘটনাও ছেড়ে দেয়া উচিত নয়।’

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে সিসির সুসম্পর্ক শুরু থেকেই। এর আগে এক বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প সিসিকে ‘প্রিয় স্বৈরশাসক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন যেটি শ্রোতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল।

আরও পড়ুন