ডিসি ও রিকশাওলার কাজে কোনো পার্থক্য নেই-পরিকল্পনামন্ত্রী

কোনো কাজকেই ছোট্ট ভাবতে নেই, ডিসির কাজ আর রিকশাওলার কাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, আমরা দরিদ্র, অসহায়, গরিব শব্দ পরিহার করি। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ব।

শুক্রবার (২ আগস্ট) সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগারে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষাখাতে বাজেটের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চান এ খাতে যাতে আরও বরাদ্দ দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের কেবল জিপিএর জন্য নয়, ভালো মানুষ আর সুন্দর চরিত্র গঠনের জন্য পড়াশুনা করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চাঁদে সাঈদীর মুখ দেখা যায়, পদ্মাসেতুতে কল্লা লাগবে, এ সব অপপ্রচার মুর্খদের কাজ। গুজবে বিশ্বাস করার কোনো মানে নেই। এগুলো ননসেন্স, বোগাস।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি কল্লাকাটার কথা। কই, তাতো কোনোদিনই বাস্তব হয়নি। আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিশ্ববিদ্যালয় করছি। এখানে কুসংস্কারের শিক্ষা নয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শিক্ষা প্রদান করা হয়। আজকের শিক্ষার্থীদের এ সব গুজবকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। ভালো করে পড়াশুনা করতে হবে। সামনে অনেক ভালো দিন আছে।’

এসময় অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ জেলার ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ৪৬ জন অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এদিকে দ্য অপটিমিস্টস কর্তৃক আয়োজিত চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রাম শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের পরিচালক মো. গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে পরিকল্পনামন্ত্রী ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে বলেন, এ দেশে এক সময় কলেরা, ডায়েরিয়া, গুটিবসন্তের মতো মহামারি রোগ ছিল। আজ তা নির্ম‚ল হয়ে গেছে। ডেঙ্গু এ দেশে থাকবে না। সবার সহযোগিতায় ডেঙ্গুকে আমরা দমন করব।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান, সংগঠনের প্রকল্প পরিচালক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে প্রমুখ।

আরও পড়ুন